রাঁচি: বিয়ে বাড়ির খাবারে নাকি টিকটিকি পড়েছিল। সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। আনুমানিক হিসেবে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা ১০০ ছুঁই ছুঁই। কিন্তু চিকিৎসকের দাবি কিছুই হয়নি, চিন্তার কিছুই নেই।

আরও পড়ুন- নিচু জাতের ছেলেকে বিয়ের অপরাধে মেয়েকে কুপিয়ে খুন বাবার

ঘটনাটি ঝাড়খণ্ডের দুমকা এলাকার। শুক্রবার বিয়ে বাড়ির ভোজ খেয়ে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সরকারি হিসেব অনুসারে প্রায় ৬০ জন মানুষ অসুস্থ হয়েছেন বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে। ক্রামগত বমি করতে থাকেন অনেকে। তাঁদের সকলকেই চিকিৎসার জন্য দুমকা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই বিষয়ে দুমকার পুলিশ সুপার ওয়াই এস রমেশ জানিয়েছেন যে বিয়ের বাড়ির খাবারে টিকটিকি দেখতে পেয়েছিলেন অভ্যাগতরা। এমনই অভিযোগ শোনা গিয়েছে। এরপর থেকেই ওই খাবার খয়া অনেকেই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। সকলকেই প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকে সেখান থেকে দুমকা সদর হাসপাতালেও গিয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে সকলেই সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছেন পুলিশ কর্তা রমেশ।

আরও পড়ুন- ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের পুকুর বুজিয়ে অবৈধ নির্মাণ, অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। একই সঙ্গে দোসর রয়েছে আতঙ্ক। তবে বিষয়টি নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন দুমকা সদর হাসপাতালের ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট বিনোদ কুমার সিনহা। তাঁর দাবি, “কিছুই হয়নি।”

খাবারে টিকটিকি পড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। অনেকেই তা দেখেছে। বহু মানুষ অসুস্থ। তারপরে কী করে বলছেন কিছুই হয়নি? তাঁর আবার একজন প্রবীণ চিকিৎসক হয়? এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন বিনোদবাবু। তাঁর কথায়, “খাবারে টিকটিকি পড়লে আহামরি কিছুই হয় না। টিকটিকি বিশেষ কোনও ক্ষতিকারক বিষ বহন করেও না।”

আরও পড়ুন- অভিযোগে আমল দেননি অভিষেক, অভিমানে পদত্যাগ তৃণমূলের উপ পুরপ্রধানের

তাহলে যে এতগুলো মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ল! ক্রমাগত বমি করে চলেছে। এই বিষয়ে দুমকা সদর হাসপাতালের ডেপুটি সুপার বেলছেন, “আসলে সমস্যাটা মানসিক। তাঁদের মনে হয়েছে যে তাঁরা বিষ খেয়ে ফেলেছেন। এই প্যানিক থেকেই সবাই বমি করেছে। রোগীদের মানসিক স্বস্তির জন্য আমি তাঁদের নিজে দেখেছি এবং ওআরএস দিয়েছি।” ভবিষ্যতে রোগীদের চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেও দাবি করেছেন বিনোদ কুমার সিনহা।