নয়াদিল্লি ভারতে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের লকডাউন চলাকালীন ভারতের আইন মেনে চলার পরামর্শ দিল মার্কিন দূতাবাস। করোনার প্রক্ষোভ রুখতে মঙ্গলবার রাতে দেশজুড়ে একটানা ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। লন্ডন চলাকালীন দেশের কোনো নাগরিককে ঘরের বাইরে বেরোতে নরেন্দ্র মোদি সরকার গুলিকে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বহু মার্কিন নাগরিক রয়েছেন তাদেরও ভারতের আইন মেনে চলার পরামর্শ দিল মার্কিন দূতাবাস।

মারণ করোনার প্রকোপ রুখতে গোটা বিশ্ব একসঙ্গে পথ চলার সংকল্প নিয়েছে। ইতিমধ্যেই সংক্রমণ এড়াতে একাধিক দেশ লকডাউন ঘোষণা করেছে। ভারতেও একটানা ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের কোনো নাগরিক যাতে ঘরের বাইরে না বেরোন সে ব্যাপারে রাজ্যগুলিকে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিজে এবং নিজের পরিবারকে বাঁচাতে ২১ দিন নাগরিকদের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনার প্রতিষেধক এখনও অমিল। গোটা বিশ্ব প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে কোমর বেঁধে নেমেছে দেশে দেশে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। সেই কারণেই ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লোকটা উনি একমাত্র পথ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আগামী ২১ দিন ভারতে ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় আইন মেনে মারকুন্ডা মার্কিন নাগরিক যাতে এই ২১ দিন তাদের ঠিকানা ছেড়ে না বাইরে বের হন সে ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। ভারতীয় আইন পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নাগরিকদের মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.