কলকাতা: অভিনেত্রী এনা সাহার ভক্তের সংখ্যা গুনে শেষ করা যায় না। অভিনয়ের পাশাপাশি এনার সৌন্দর্য্যে কুপোকাত বহু নেটিজেন। তবে ফ্যাশন সম্পর্কেও বেশ সচেতন অভিনেত্রী। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যাশন সম্পর্কিত নিয়মিত আপডেট দেন তিনি।

এনার মতই তার বোন ডোনা সাহা মিষ্টি এবং স্টাইলিশ। অভিনয় জগতে এখনো না এলেও ইতিমধ্যেই তিনি পরিচিত। সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ারও মোটেই কম নয়।

তাহলে এই পুজোয় দেখে নেওয়া যাক দুই বোনের ফ্যাশন দুনিয়া। ফেসবুকে ছবি আপলোড করে নজর কাড়ার জন্য এই দুই বোনের ওয়ারড্রোবে চোখ রাখতে পারেন আপনিও। পঞ্চমীর দিন হালকা সাজ এর জন্য বেছে নিতে পারেন এই পোশাক। পুজোর শুরুতে চেষ্টা করুন হালকা তবে উজ্জ্বল রঙের পোশাক পরার। যেহেতু এখনও কলকাতার তাপমাত্রা বেশ ভালই রয়েছে ডেনিম জিন্স অথবা এমন উজ্জ্বল রঙের টি-শার্ট পরতে পারেন।

ষষ্ঠীতে মা দুর্গার বোধন। তাই এই দিন এথনিক পোশাক বেছে নিন। এনার মতো নীল রঙের কুর্তি চুরিদার করতে পারেন। পুজোর আমেজে ভাসতে মানানসই একটি দুল পরে নিন।

সপ্তমীতে বেছে নিন ট্রেন্ডি পোশাক। এদিন ওয়ান পিস ড্রেস অথবা জাম্পস্যুট পরতে পারেন। ডোনা একটি ফ্লোরাল স্কার্ট ও টপ পরেছেন। আপনিও এই দিন এর জন্য ফ্লোরাল প্রিন্টের কোনও পোশাক বেছে নিতে পারেন।

অষ্টমীর সকাল মানেই যে শাড়ি পরতে হবে তার কোনো মানে নেই। এথনিক পোশাকের মধ্যে রয়েছে নানা রকম বৈচিত্র। ইক্কত প্রিন্ট এই মুহূর্তে ফ্যাশনে ইন। এই প্রিন্টের কুর্তি বা কোনো লং ড্রেস পরতে পারেন অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে।

তবে অষ্টমীর রাতের জন্য বেছে নিন জমকালো একটি শাড়ি। পুজোর সবচেয়ে বিশেষ দিন হিসেবে অষ্টমীকে মনে করা হয়। এনার মতো এমন একটি শাড়ি বেছে নিন।

নবমীতে ইন্দো ওয়েস্টার্ন পোশাক পরতে পারেন। এদিন অথবা এদিন লেহেঙ্গা চোলি বা কোনও জমকালো স্কার্ট টপ পরতে পারেন। সঙ্গে অবশ্যই মানানসই গয়না পরুন।

দশমী মানেই লাল পেড়ে সাদা শাড়ি। তেমনই কোনো শাড়ি বেছে নিন। এনা এই শাড়ির সঙ্গে পড়েছেন সোনার হালকা গয়না। আপনিও পুজোর শেষ দিন নজর কাড়তে এমন শাস্তি পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.