রিপ্রেসেনটেটিভ পিকচার

নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় একের পর এক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার, ফের কেন্দ্রের মেগা আর্থিক ত্রাণ প্যাকেজের তৃতীয় কিস্তি ঘোষণা করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

শুক্রবার বিকেল ৪টে প্রেস কনফারেন্স করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সূত্রের খবর, হসপিটালিটি সেক্টরের জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করা হবে।

মার্চ মাসের ২৫ থেকে দেশজুড়ে চলা লকডাউনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হসপিটালিটি সেক্টর। বন্ধ রয়েছে কাজ। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছে এই সেক্টরের বড় অংশ।

টাকার লেনদেন এতটাই ধাক্কা খেয়েছে, অনেক হোটেলের মালিক ফের এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ফের উঠে দাঁড়াতে সরকারের কাছে কিছু আর্থিক সাহায্যের অনুরোধ জানিয়েছে।

কর্মীদের সাহায্য করতে ডিরেক্ট স্টিমুলাস প্যাকেজের পাশাপাশি হসপিটালিটি সেক্টরের তরফে ছ’মাসের জিএসটি পে’মেন্টে রিলাক্সেশন দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন করোনা সংকট মোকাবিলায় ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ। আর বলা হয়েছিল এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বুধবার দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। সেই মতো তিনি বুধবার এই প্যাকেজ ঘিরে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তার প্রথম পর্যায় ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি এই বিষয়ে দ্বিতীয়বার ব্যাখ্যায় বসেছেন।

প্রসঙ্গত বুধবারে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগদের জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। ৩ লক্ষ কোটি টাকার কোল্যাটারাল ফ্রী লোন, যার ফলে উপকৃত হবে ৪৫ লক্ষ ছোট মাঝারি ইউনিট যাতে তারা ফের কাজ শুরু করতে পারে এবং কর্মীদের চাকরি বাঁচে। এছাড়া ছোট মাঝারি শিল্পের সংজ্ঞা কিছু পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেন।

এছাড়া ইপিএফ সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তনের কথা অর্থমন্ত্রী জানান। এরফলে বেসরকারিক্ষেত্রে ইপিএফে ১২ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ করে কাটা হবে। কবে সরকারিক্ষেত্রে ১২ শতাংশই পিএফ কাঁটা হবে, জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তাছাড়া, ৯০ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন বিদ্যুৎ সংস্থার জন্যে ব্যবস্থা করা হল বলে জানানো হয়েছে। সমস্ত সরকারি সংস্থায় (রেল, সড়ক, ইত্যাদি) কাজের ক্ষেত্রে ছয় মাসের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ