ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত ছবি

কলকাতা: পোস্তার উড়ালপুল ভেঙে পড়ার জেরে আরও দুজনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ৷ দুজনেই কেএমডিএ-র ইঞ্জিনিয়ার৷ উড়ালপুল ভেঙে পড়ার সূত্রে এই প্রথম কেএমডিএ-র দুই ইঞ্জিনয়ারকে ধরল পুলিশ৷দুজনেই একজিকিউটিভ পর্যায়ের ইঞ্জিনিয়ার৷ একজনের নাম শান্তনু মণ্ডল, অন্যজন প্রিয়তোষ ভট্টাচার্য৷ এই নিয়ে নির্মীয়মাণ বিবেকানন্দ উড়ালপুলের ভেঙে পড়ার ঘটনায় মোট ১২ জন ধরা পড়ল৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উড়ালপুল নির্মাণের সময় প্রিয়তোষ ভট্টাচার্য ছিলেন কেএমডিএ-র চিফ ইঞ্জিনয়ার৷ তাঁর কার্যকালেই অভিযুক্ত কন্ট্রাকটর কোম্পানি আইভিসিআরএল কাজের বরাত পেয়েছিল৷এই দুজনের আগে পুলিশ যাদের ধরেছিল তারা সকলেই ওই কনট্টাক্টর কোম্পানির কর্মী৷ ধৃতদের কাল বুধবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হবে৷

আরও জানা গিয়েছে, উড়ালপুল ভেঙে পড়ার ঘটনার তদন্ত শেষে ৮৯ দিনের মাথায় কলকাতা পুলিশ ১৯০০ পাতার একটি চার্জশিট তৈরি করেছে৷ব্যাঙ্কশাল কোর্টে এই চার্জশিট তারা পেশও করেছে৷ পোস্তায় উড়ালপুল ভেঙে পড়ার জেরে অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়৷ খুনের অভিযোগে এই কাণ্ডের পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছিল৷ চার্জশিটে পুলিশ অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ এনেছে৷

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, দুর্ঘটনার আগের দিনই বরাতপ্রাপ্ত কোম্পানিটির তরফ থেকে ভেঙে-পড়া অংশটি ঢালাই করা হয়েছিল৷ ঘটনার সূত্রে পুলিশ কসবার একটি বেসরকারি অ্যাপার্টমেন্টে ওই কোম্পানির স্থানীয় অফিসে হানা দেয়৷গিয়ে দেখে তালা ঝুলছে৷ পরে এক এক করে ওই কোম্পানির অন্তত ১০ জন ধরা পড়ে৷ তাদের মধ্যেও একাধিক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন৷ তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, অভিযুক্ত কনট্রাক্টর কোম্পানিটির মূল অফিস হায়দরাবাদে৷ উড়ালপুলের কাজে নামার আগেই তাদের ব্ল্যাক-লিস্টেড করা হয়েছিল৷

পাশাপাশি, যে কোনও কারণেই হোক, কেএমডিএ-র দুই ইঞ্জিনিয়ার ধরা পড়ার দিনেই আবার কলকাতা পুরসভার মেয়রের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে৷ তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করতে হলে মেটাল ডিটেক্টর অবশ্য অবশ্যই পেরতে হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.