কলকাতা: গোটা দেশে বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার দু’দিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে এয়ার ট্র্যাভেল। বৃহস্পতিবার থেকে অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা শুরু করছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কেন্দ্রকে জানানো হয়েছিল করোনার পাশাপাশি আমফান বিধ্বস্ত বাংলায় বিমান পরিষেবা এক্ষুনি না চালু করার জন্য। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বর্তমানে রাজ্য সরকারের লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরে আসাকে সাপোর্ট করার পরিকাঠামো আর নেই।

পরিষেবা চালু করার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়েছিল কলকাতা এবং বাগডোগরা বিমানবন্দর প্রতিদিন ২০টি বিমান হ্যান্ডেল করবে।

বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসকে মাথায় রেখে যাত্রীসুরক্ষায় নজর দিয়ে অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা চালুর আগে রাজ্য সরকারের তরফে একতি গাইডলাইন ইস্যু করা হয়েছে।

যদি পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার প্ল্যান থাকে তাহলে অবশ্যই এগুলো জেনে নিনঃ

১। যে সকল যাত্রীরা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তাঁদের রাজ্যে পৌঁছে রাজ্যে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে ‘সেলফ ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম ভর্তি করে জমা দিতে হবে।

২। সকল যাত্রীদের বিমানে ওঠার আগেই হেলথ স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। শুধুমাত্র উপসর্গবিহীন যাত্রীরাই বিমানে ওঠার সুযোগ পাবেন।

৩। কলকাতা বিমানবন্দরে পোঁছেও যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হবে।

৪। গাইডলাইনে আরও জানানো হয়েছে, সব স্যাম্পেল সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

৫। গাইডলাইনে বলা হয়েছে, উপসর্গবিহীন যাত্রীদের নির্দেশ সহকারে বিমানে ওঠার অনুমতি দেওয়া হবে এবং ১৪ দিনের জন্য নজরদারিতে থাকতে হবে। তবে উপসর্গ লক্ষ করা গেলে তাঁদের স্থানীয় মেডিক্যাল অফিসারদের অথবা রাজ্যের হেল্প লাইন নম্বর ১৮০০ ৩১৩ ৪৪৪ ২২২/০৩৩-২৩৪১২৬০০,২৩৫৭৩৬৩৬/১০৮৩/১০৮৫ নম্বরে ফোন করতে হবে।

৬। যাদের মধ্যে উপসর্গ মাঝারি পরিমাণে লক্ষ করা যাচ্ছে তাঁদের কোভিড স্পেশাল চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। খুব স্বল্প উপসর্গযুক্তদের বাড়ি অথবা আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হবে।

৭। পরবর্তী পদক্ষেপ ফলাফলের উপর নির্ভর করে নেওয়া হবে।

৮। বিমানবন্দরে হাইজিন এবং সোশ্যাল ডিসট্যানসিংয়ের নিয়ম মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় এবং পর্যাপ্ত প্রচার চালানো হবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।