আগরতলা: ভারতীয় বাঁশি এবং তার সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের শৈল্পিক সত্ত্বা সমগ্র বিশ্বের ছড়িয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের খরচে গড়ে তোলা হবে বাঁশি গবেষণা কেন্দ্র।

শুক্রবার বিশিষ্ট বাঁশি শিল্পী বাবুল দেবনাথের একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান দেখে বেড়িয়েই গবেষণা কেন্দ্র খোলার ঘোষণা করেন মুগ্ধ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

 

উত্তর পূর্বের সকল রাজ্যের শিল্পীদের এতে উপকৃত হবেন বলেও দাবি করেছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, “একটা বড় সংখ্যার শিল্পী বাঁশি বাজিয়ে তাঁদের শৈল্পিক সত্ত্বা তুলে ধরেন। যাদের অনেকেই অনগ্রসর শ্রেণীর।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “ত্রিপুরা এবং উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যের বাঁশির সুর এবং স্বর খুবই সুন্দর। যা মন ভরিয়ে দেয়।”

আরও পড়ুন- মোদীর ম্যাজিক! মাত্র ৩০ টাকা দিয়ে করান ৫ লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা

এই সকল শিল্পীদের মানোন্নয়নের জন্যেই গবেষণা কেন্দ্র খোলার কথা ঘোষণা করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তাঁর কথায়, “গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে সঙ্গীতে বাঁশির গুরুত্ব এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে। যার ফলে উপকৃত হবেন ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্ব ভারতের সকল শিল্পীরা।”

এই গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও আছে বলে দাবি করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে বিপ্লব দেব জানিয়েছেন যে ত্রিপুরা এবং পড়শি রাজ্যগুলোতে নানা ধরণের প্রচুর বাঁশ জন্মায়। যেগুলির গুনগত মান অনেক ভালো। সেই বাঁশ থেকে তৈরি বাঁশি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

আরও পড়ুন- মহিলা রাজ্য সরকারি কর্মীদের সুরক্ষার জন্যে চিঠি ইউনিয়নের

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবের অধীনেই রয়েছে রাজ্যের তথ্য এবং সংস্কৃতি দফতর। এই গবেষণা কেন্দ্রের চালু হলে বাঁশ থেকে তৈরি সংগীতের অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়েই গবেষণা চালানো অনেক সহজ হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।