মুম্বই: করোনার বিরুদ্ধে একদিকে যেমন ওয়ারফ্রন্টে লড়ছেন চিকিৎসা কর্মী, নার্স ও ডাক্তারেরা, তেমনই অক্লান্ত পরিশ্রম করে এর ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা। ভারতও এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম না, চলছে ওষুধ তৈরির চেষ্টা।

এরই মধ্যে সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড নামে এক ভারতীয় সংস্থা একটি ওষুধের কথা জানিয়েছে। এটির নাম ফ্লুগার্ড (Favipiravir ২০০ গ্রাম)। যে সমস্ত কোভিড-১৯ রোগীদের শারীরিক অবস্থা তুলনামূলক কম উদ্বেগজনক, তাঁদের চিকিৎসার জন্য এল এই ওষুধ।

কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহ থেকেই মিলবে ফ্লুগার্ড। গোটা দেশেই যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য কেন্দ্র ও মেডিক্যাল বিভাগের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখবে এই কোম্পানি।

জানা গিয়েছে, এই ফ্লুগার্ড-এর একটি ট্যাবলেটের মূল্য ৩৫ টাকা। এতে যেমন বেশি পরিমাণে রোগীদের চিকিৎসা সম্ভব হবে, তেমনই খরচও কম হবে। স্বল্প থেকে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ কোভিড রোগীদের জন্য এ দেশে কার্যকর হতে চলেছে এই ওষুধ।

ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম সেরা ও বিশ্বস্ত সান ফার্মা (Sun Pharma)। তাই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাদের এই ওষুধ দারুণ উপকারী হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহলের একাংশ।

অন্যদিকে দেশে বর্তমানে প্রায় রোজই ৫০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আরও বেশি চিকিৎসার প্রয়োজন হচ্ছে। আর সেই কারণেই মনে করা হচ্ছে গুরুত্ব পাবে ফ্লুগার্ড ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।