স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: আত্রেয়ী নদীর জল ঢুকে পড়ল বালুরঘাটের লোকালয়ে। বালুরঘাটের বেশ কয়েকটি এলাকায় নদীর জল ঢুকে পড়ায় ডাঙ্গি খিদিরপুর সহ শহর এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বালুরঘাট পুরসভা এলাকার ২২নং ওয়ার্ডের একাংশে আত্রেয়ী নদীর জল ঢুকে পড়ায় জলবন্দী হয়ে পড়েছেন বহু পরিবার।

আবহাওয়া দফতর দক্ষিণ দিনাজপুর সহ উত্তরবঙ্গে আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। সেই সঙ্গে নদীর জল রাত রবিবার থেকে একই ভাবে বেড়ে চলায় চরম আতংকের মধ্যে রয়েছেন বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই মানুষজন জিনিসপত্র ও পরিবার নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।

গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির কারণে আসাম ও উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকার মত দক্ষিণ দিনাজপুরেও টাঙন, পুনর্ভবা, আত্রেয়ী ও ছোট যমুনা নদীর জল বেড়ে চলেছে। জেলার অন্যতম প্রধান নদী আত্রেয়ী জল ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি এলাকায় ঢুকে পড়েছে। আত্রেয়ীর জলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে শহরের আত্রেয়ী কলোনী ও শহর লাগোয়া খিদিরপুর ও ডাঙ্গি এলাকায়।

আত্রেয়ীর জল ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় মানুষজন বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন। ২০১৭ সালেও দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট গঙ্গারামপুর সহ জেলার অধিকাংশ এলাকার মানুষকে বন্যার কবলে পড়তে হয়েছিল। বহু বাড়ি ভেঙে পড়ার পাশাপাশি মৃত্যুও হয়েছিল বেশ কয়েকজনের। স্বাভাবিক ভাবেই এবারেও অতিবর্ষণের জেরে আত্রেয়ী নদীর জল বেড়ে চলায় আতংকের মধ্যে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

আত্রেয়ী কলোনির বাসিন্দা মেঘু বাঁশফোড় জানিয়েছেন আত্রেয়ীর জল রবিবার রাত থেকেই তাঁদের এলাকায় ঢুকতে শুরু করেছে। তিরিশটিরও বেশি পরিবার ইতিমধ্যে বাড়ি ছেড়ে বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছেন। জলে টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় পানীয়জলের অভাব দেখা দিয়েছে। রবিবার রাত থেকে জল ঢুকতে শুরু করলেও এলাকায় প্রশাসনের কারও দেখা মেলেনি বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

এদিকে সেচ দফতরের নির্বাহী বাস্তুকার স্বপন বিশ্বাস জানিয়েছেন যে আত্রেয়ী সহ জেলার সমস্ত নদীর জলই বেড়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোথাও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ঘটনা না ঘটলেও কয়েকটি নিচু এলাকায় অবস্থিত জনবসতিতে জল ঢুকেছে। পাশাপাশি তিনি একথাও জানিয়েছেন যে পরিস্থিতির উপর তাঁরা নজর রেখেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।