ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, হুগলি ও বাঁকুড়া: দ্বারকেশ্বরের করাল গ্রাসে তলিয়ে গেল ইন্দাস এর করিশুন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাবাপুর গ্রামের দুটি মাটির বাড়ি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি পরিবারকেই নিরাপদ স্থানে নিয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ অতিরিক্ত বৃষ্টিতে মেজিয়া থানার তেঘরিয়াতে মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ছায়া মণ্ডল (৪৫) নামে এক মহিলার৷

আরও পড়ুন: বন্যা সতর্কীকরণ স্টেশনগুলি ঠিক মতো কাজ করছে না : CAG

নদী গর্ভে গ্রামের একের পর এক বাড়ি তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্কে ভাবাপুর। এলাকার চাষের জমিগুলি দ্বারকেশ্বর গ্রাস করেছে। চাষের জমি তলিয়ে যাওয়ায় এখন মাথায় হাত পড়েছে কৃষিজীবী পরিবারগুলির। তাদের অভিযোগ, প্রতি বছর এভাবে গ্রামটি বন্যার কবলে পড়লেও নদীর পাড় বাঁধাইয়ে প্রশাসনের তরফে তেমন কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে ইন্দাস এর বিডিও সুচেতনা দাস জানান, “নদীর পাড় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলিকে উদ্ধারে প্রাথমিক স্তরে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার দুটিকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের জন্য প্রশাসনের তরফে পর্যাপ্ত পরিমানে ত্রাণ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে, দ্বারকেশ্বর নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকল হুগলির আরামবাগে। বুধবার সকালে মহকুমা শাসকের অফিস সংলগ্ন এলাকায় নদীবাঁধ ভেঙে যায়। বাঁধ ভেঙে নদীর জল ঢুকেছে এসডিপিওর অফিসে। এছাড়াও আরামবাগ মহিলা কলেজ ও কয়েকটি বেসরকারি স্কুলে জল ঢুকেছে।

আরামবাগ বাসস্ট্যান্ড জলে তলায় চলে যাওয়ায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল। যার জেরে বিপত্তিতে যাত্রীরা। মহকুমা শাসকের অফিসের যে জায়গা থেকে জেলার বন্যা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছিল, নদীর জল ঢুকেছে সেখানেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.