স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : উত্তরবঙ্গে ফের বৃষ্টি এবং তার জেরে বন্যার আশঙ্কা বাড়বে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ফের মৌসুমী অক্ষরেখা স্থনান্তরিত হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে ফের তা সরে গিয়ে উত্তরের দিকে হেলে গিয়েছে। ফলে ফের প্রচণ্ড বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গে।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করবে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয় বাষ্পের পরিমান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরে ফের বাড়বে বৃষ্টি। ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলছে দার্জিলিং, কালিম্পঙে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়িতে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহারে। আলিপুরদুয়ারেও ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে জলপাইগুড়ি প্রশাসন।

প্রায় একই সঙ্গে দেশের দুই প্রান্তে হাজির হয়েছে দু’টি নিম্নচাপ। আর তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জোরালো বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে দিল্লির মৌসম ভবন। সূত্রের খবর , মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থানের ফলে উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতেও বৃষ্টি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানা গিয়েছে, নিম্নচাপটির অবস্থান উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে হওয়ার ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টা মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ওই নিম্নচাপের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এই পরিস্থিতি চলবে দু’তিন দিন। এ ছাড়া কচ্ছ উপকূলে অন্য যে নিম্নচাপ রয়েছে তার প্রভাবে কচ্ছ ও সৌরাষ্ট্রে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা আছে। মধ্য ভারতেরও বহু অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরের সমুদ্রে জলতলের উষ্ণতা বেশি রয়েছে। তারই ফলে নিম্নচাপ তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ