কলকাতা : লাগাতার আন্দোলন ও মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছে বাংলাপক্ষ। বাংলা পক্ষ তথা বাঙালির চাপে ফ্লিপকার্ট বাংলায় পরিষেবা শুরু করতে চলেছে। একে একে সব লাইনে আসবে। বাংলা পক্ষ বাঙালি জাতির জন্য লড়ছে। আমরা বাঙালি জাতির অতন্দ্র প্রহরী।

সম্প্রতি বাংলা গান ও সংস্কৃতিকে সকলের সামনে তুলে ধরা ও বাঙালি শিল্পীদের প্রোমোট করার আবেদন নিয়ে ত্রিধারা সম্মিলনী, সমাজসেবী, বালিগঞ্জ কালচারাল, সিংহিপার্ক, একডালিয়া, হিন্দুস্থান ক্লাব, বোসপুকুর শীতলা মন্দির, যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লী সহ নানা পুজো কমিটিকে স্মারকলিপি জমা দিল বাংলাপক্ষ। আমরা কলকাতা সহ বাংলা জুড়ে অনেক পুজো প্যান্ডেলে ঘুরছি। আমাদের এই দাবির সমর্থনে বাংলা শিল্পীরা বার্তা দিচ্ছেন। আপনাদের অনুরোধ, আপনারা এই বার্তা আপনাদের মিডিয়ার মাধ্যমে সকলের সামনে তুলে ধরুন।

পুজো প্যান্ডেলে বাংলা গান বাজানো এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন জানিয়ে বাংলার নানা পুজো কমিটি, ক্লাবকে আবেদন জানাতে শুরু করে বাংলাপক্ষ। এর আগে বাংলার মাটিতে বসেও রেডিওতে চলছে একের পর এক হিন্দি গান, সঞ্চালনাতেও নেই বাংলার ছাপ। সুযোগ পেলে এক বা বড়জোর তিনবার সারাদিনে চলছে সেখানে বাংলা গান, এই অভিযোগ নিয়েই প্রতিবাদে রাস্তায় নামে বাংলাপক্ষ।

বহুদিন ধরেই বাংলার মাটিতে চলে আসছে ফিভার ও রেডিও ওয়ান নামক দুটি জনপ্রিয় রেডিও চ্যানেল। কিন্তু অভিযোগ বাংলার মাটিতে ব্যবসা করেও চলছে না সেখানে বাংলা সঞ্চালনা বা বাংলা গান। তার প্রতিবাদের বাংলাপক্ষ ঘেরাও করেছিল নিউটাউন ডি এল এফে ফিভার ও রেডিও ওয়ানের অফিসে। প্রথমে তাঁদের অফিসে ঢুকতে বাধা দিলেও পরে ঢোকার অনুমতি পায় বাংলাপক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।