কলকাতা: আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের মধ্যেই বাংলায় চালু হবে ফ্লিপকার্ট লজিস্টিক হাব। নদিয়ার হরিণঘাটায় তৈরি হচ্ছে বিশাল সেই প্রজেক্ট। এদেশে তাদের বৃহত্তম লজিস্টিক্স হাব গড়তে চায় ফ্লিপকার্ট। আর তা গড়তে বাংলাকেই বেছে নিয়েছে তারা। এই জন্যে ইতিমধ্যেই সেখানে ১০০ একর জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে৷ এরফলে ওই হাবে ১০,০০০ প্রত্যক্ষ কর্মস্থান হবে৷ তাছাড়া ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে৷

আগেই ফ্লিপকার্ট ইন্ডিয়া-র চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার রজনীশ কুমার জানিয়ে ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের হরিণঘাটায় তাদের বৃহত্তম লজিস্টিক্স হাবটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে৷ তিনি আশা রাখছেন, এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে সেখানে পণ্য মজুত করে এবং তা অন্যত্র সরবরাহ করার জন্য ব্যবহার করা যাবে। এরফলে প্রত্যক্ষ ১০,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে হাব চালু হওয়ার আগেই তারা কর্মী নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করা হবে বলে ফ্লিপকার্টের তরফে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি তৃণমূলের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে যে, আগামী বছরেই বাংলায় চালু হচ্ছে ফ্লিপকার্টের বিশাল এই লজিস্টিক হাব।

জানা গিয়েছে, এই রাজ্য এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে পণ্য সরবরাহ করতে এই হরিণঘাটাকেই প্রধান লজিস্টিক্স হাব হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছে ওয়ালমার্ট মালিকানাধীন এই ভারতীয় সংস্থাটি।

এই দেশের বিপুল খুচরো বাজার এখন লগ্নিকারীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। হায়দরাবাদে অগস্ট মাসে অ্যামাজন তাদের বৃহত্তম ক্যাম্পাসটি চালু করেছে। এদিকে আবার অনলাইনে ভারতের খাদ্যপণ্য ব্যবসায় প্রবেশ করতে শীঘ্র কেন্দ্রের কাছে ১০০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নি করার আবেদন জানাতে চলেছে ফ্লিপকার্ট।

হরিণঘাটা শিল্প পার্কে এই লজিস্টিক্স হাবটি গড়ে তুলতে প্রায় ৯৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে ফ্লিপকার্টের তরফে। অন্যদিকে রজনীশ জানিয়েছেন, সেখানে প্রত্যেকটি পণ্যের জন্য আলাদা গুদামঘর ও ডিস্ট্রিবিউশন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। তাছাড়া ভবিষ্যতে খাদ্যপণ্য ব্যবসার কথা মাথায় রেখে সেখানে হিমঘর, কোল চেন ইত্যাদি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই সংস্থার৷

পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ফ্লিপকার্টের ব্যবসা বাড়নোর পাশাপাশি এই রাজ্যে তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী বিক্রেতার সংখ্যাও বাড়ছে৷বর্তমানে ফ্লিপকার্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী প্রায় দু’লক্ষ বিক্রেতার মধ্যে সাত হাজার হচ্ছেন এ রাজ্যের৷ এদের বছরে মোট বিক্রি পরিমাণ প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ