নয়াদিল্লি: লকডাউনের পর এই প্রথম পুরোদমে এবার কাজ শুরু করতে চলেছে ই-কমার্স সাইটগুলি। ফ্লিপকার্ট, আমাজন, স্ন্যাপডিল তো বটেই, এছাড়াও নায়কা, লেন্সকার্টের মতো সঙ্গস্থাগুলিও শুরু করছে ব্যবসা।

দেশের শুধুমাত্র কন্টেইনমেন্ট এলাকা ছাড়া সব রেড, গ্রিণ ও অরেঞ্জ জোনে দেওয়া হবে সব পরিষেবা। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য তো বটেই বাকি অন্যান্য দ্রব্যগুলিও সরবরাহ করবে ই-কমার্স সঙ্গস্থাগুলি।

রবিবারের আগে অবধি সরকার মনোনীত সবুজ এবং কমলা জোনগুলিতে স্মার্টফোন এবং ইলেকট্রনিক্সের মতো অপ্রয়োজনীয় আইটেমগুলি বিক্রয় করতে পারত। রেড জোনে সরবরাহ করা যেত শুধুমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য খাবার ও মুদি দ্রব্য। কেন্দ্রের তরফে সর্বশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, অনলাইন ব্যবসার ব্যাপারে রাজ্যগুলি চূড়ান্ত নির্ণয় ঠিক করবে।

অন্যদিকে চতুর্থ দফার লকডাউনে শিথিলতা আনা হয়েছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে। আবার নিষেধাজ্ঞার তালিকাতেও আনা হয়েছে কিছু নতুন শর্ত। জানানো হয়েছে রাজ্যগুলির মধ্যে গাড়ি চলাচল শুরু হতে পারে। তবে বন্ধ থাকছে ট্রেন, বিমান ও মেট্রো চলাচল। তবে গাড়ি চলাচলের জন্য কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

কোন কোন রাজ্যের মধ্যে গাড়ি চলাচল করবে, তা ওই দুই মধ্যে অভ্যন্তরীণ সমঝোতার ভিত্তিতে জানানো হবে। একই নিয়ম লাগু হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে। তবে কনটেনমেন্ট জোনের মধ্যে কোনও গাড়ি চলাচল করবে না বলে জানানো হয়েছে।

গাইডলাইনে বলা হয়েছে যে, সন্ধে ৭ থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ‘নাইট কারফিউ’ জারি থাকবে। জরুরি প্রয়োজন বাদে অনুমতি ছাড়া কখনই বেরনো যাবে না রাস্তায়, গাইডলাইনে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে| এক্ষেত্রে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারায় জারি করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। সাধারণ মানুষ নাইট কার্ফুর নিয়ম না মানলে কড়া শাস্তি হতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প