কলকাতা: ওজন বাড়ার ভয়ে আজ আমরা সব খাবার খাওয়ার আগেই দুইবার ভাবি। কিন্তু একসময়ে আমরা খাদ্যরসিকতায় ডুবে থাকতাম। তবে এখন সময় পাল্টেছে। ধারণা পাল্টেছে সুস্থ থাকার। হাজার এক্সারসাইজ, ব্যায়ামের তালিকা ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ছোট থেকেই হাতে। কিন্তু তাতে কি আর অতো সহজে তলপেটের চর্বি-কে গুডবাই বলা যায়? মধ্য প্রদেশ আপন খেয়ালে বেড়েই চলেছে। ডায়েট, ব্যায়াম করেও লাভ হচ্ছে না। তাই এবার আপনাদের সেই চর্বির সমস্যা মেটাতে রইলো কিছু সহজ সমাধানের পথ। পড়ুন এই লেখাটি আর মেনে চলুন এই উপায়গুলি। মিলবে সমাধান আর থাকবেন ফিটও।

১. রাতে যখন শুতে যাবেন সেই সময় বা সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালিপেটে কাঁচা রসুনের কয়েকটি কোয়া চিবিয়ে খেয়ে নিন।

২. রসুন খাওয়ার পর যা করবেন তা হলো ১ গ্লাস হালকা গরম জলে অর্ধেক পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। নুন না দিলেই ভালো হয় এই ক্ষেত্রে। মধু মেশাতে পারেন, কিন্তু চিনি দেবেন না। এই পানীয় বিপাক প্রক্রিয়ার হার বাড়িয়ে দিয়ে আমাদের তলপেটের মেদ কমায় দ্রুত।

৩. সাদা ভাত ডায়েট থেকে একেবারে বাদ দিয়ে দিতে হবে। লাল চালের ভাত, গমের রুটি, ওটস-এর রুটি বা ওটস প্রতিদিন লাঞ্চে বা ডিনারে রাখতে পারেন। ভালো ফল পাবেন ও সুস্থও থাকবেন।

৪. তেলে- ঝোলে একেবারে খাবেন না। মশলা ও তেল যতটা পারবেন এড়িয়ে চলবেন। দারচিনি, আদা, গোলমরিচ এবং কাঁচালঙ্কা দিতে পারেন রান্নায় ঝালের ভাব আনতে। এগুলো শরীরের ইনসুলিন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিস রোগীরাও এই খাবার খেতে পারেন।

৫. চিনি জাতীয় খাবার একেবারে দূরে রাখতে হবে। চকোলেট, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস ও সবরকমের মিষ্টিকেও বলুন বাই বাই।

৬. ৭ দিন মাংস, মাছ, ডিম, দুধ থেকে থাকুন দূরে। ফল ও সবজি অবশ্যই রাখবেন ডায়েটে। সেই সঙ্গে জলের পরিমাণ বাড়াবেন।

সবশেষে এটাই বলার যে নিজেকে খুশি রাখুন মন থেকে। খুশি না থাকলে ভালো থাকা যায় না। তাই ফিট থাকতে আগে থাকুন এই গরমেও সুস্থ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.