ওয়াশিংটন: মাত্র ২৪ বছর বয়সেই প্রয়াত হলেন পাঁচবার ‘Jeopardy!’ জয়ী ব্রাইডেন স্মিথ। কিছুদিন আগে এই গেম শোয়ে এসেছিলেন তিনি। শোটি সঞ্চালনা করেছিলেন প্রয়াত লেজেন্ড অ্যালেক্স ট্রেবেক। শোয়ের বিজেতা হন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রয়াত হয়েছেন। শনিবার তাঁর মা টুইটারে এই খবর জানান। তার পরই খবরটি চাউর হয়ে পড়ে। তিনি গেম শোয়ের সেট থেকে স্মিথের একটি ছবি শেয়ার করেন। লেখেন, “জানাতে খুব কষ্ট হচ্ছে যে আমাদের প্রিয় ব্রাইডেন স্মিথ সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন। আমরা কৃতজ্ঞ যে ব্রাইডেন Jeopardy-তে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে সমর্থ হয়েছিল।” সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে বাইডেন কেন মারা গিয়েছেন তা তাঁর শোক সংবাদে লেখা ছিল না।

ব্রাইডেন স্মিথ আলেকস ট্র্যাবকের গেম শোয়ের সর্বশেষ বিজেতা ছিলেন। তিনি আইন স্কুলে পড়াশোনা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। আইনজীবী হয়ে তিনি ফেডারেল সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলেন। এটাই ছিল তাঁর কেরিয়ারের প্রতি আশা। সম্প্রতি তিনি ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাটো ইনস্টিটিউটে ইন্টার্ন হিসাবে কাজ করেন। ফৌজদারি ন্যায়বিচার সংস্কার নিয়ে গবেষণা করছিলেন তিনি। তাঁর প্রিয় বিষয় ছিল রাষ্ট্র বিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি এবং ইতিহাস। তিনি কেবল শিক্ষাবিদই ছিলেন না, তিনি খেলাধুলায়তেও ভাল ছিলেন। ন্যাশনাল মেরিট স্কলারার সেমিফাইনালিস্ট ছিলেন তিনি। এছাড়া জুনিয়র ক্লাসিকাল লিগে সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তাঁর স্কুলের কুইজ বাওয়েলর ​​দলের ক্যাপ্টেনও ছিলেন ব্রাইডেন স্মিথ।

স্মিথের মা তাঁর মৃত্যু সংবাদটি প্রকাশের পরপরই ‘Jeopardy!’ বিবৃতিটি রিটুইট করে। তারা জানায়, “Jeopardy পরিবার ব্রাইডেন স্মিথের মর্মান্তিক মৃত্যুতে দুৎখিত। তিনি খুব বিনয়ী, মজার মানুষ ছিলেন। পাশাপাশি তিনি খুব ব্রাইট ছিলেন। আমারা ব্রাইডেনের পরিবারের সঙ্গে সমব্যথী। তাঁকে মিস করব।” সূত্রের খবর অনুযায়ী, জনপ্রিয় গেম ‘টুর্নামেন্ট অফ চ্যাম্পিয়ন্স’ প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন প্রয়াত ‘Jeopardy!’ চ্যাম্পিয়ন ব্রাইডেন স্মিথ। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতায় আর তাঁর যাওয়া হল না। তার আগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।