খেজুরি: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিকিৎসক-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালাচ্ছেন পুলিশকর্মীরাও। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে প্রায়ই তাঁরাও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি তালপাটি কোস্টাল থানার ৫ পুলিশকর্মী নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন।

খেজুরি তালপাটি কোস্টাল থানার একসঙ্গে ৫ পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাকিদের মধ্যে। আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। আতঙ্কে থানায় যেতে ভয় পাচ্ছেন সিভিক ভলান্টিয়াররাও। জানা গিয়েছে, খেজুরি তালপাটি কোস্টাল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস-সহ ওই থানারই ৪ কনস্টেবলের করোনা রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে।

এদিকে, থানায় একসঙ্গে ৫ পুলিশকর্মীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। থানায় যতেই ভয় পাচ্ছেন বাসিন্দারা। এমনকী সিভিক ভলান্টিয়ার ও থানায় কর্মরত বাকিরাও করোনা আতঙ্কে ভুগছেন।

গত কয়েকদিনে করোনা নিয়ে এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন থানার ওসি থেকে শুরু করে অন্য পুলিশকর্মীরা। সংক্রমণ রুখতে সচেতনতার প্রচার সারতে গিয়ে এবার তাঁরাই করোনায় কাবু।

গোটা রাজ্যেই পুলিশ বিভাগে ক্রমেই ছড়াচ্ছে করোনা। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে গিয়ে কখন যে তাঁরাও সংক্রমিত হচ্ছেন এই ভাইরাসে তা টেরই পাচ্ছেন না পুলিশকর্মীরা।

গত কয়েকদিনে কলকাতা পুলিশ-সহ গোটা রাজ্যেই বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকী করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুও হয়েছে একাধিক পুলিশকর্মীর। তবুও দায়িত্বে অনড় পুলিশ বিভাগ। সাধারণ মানুষকে বিপদ থেকে বাঁচাতে সংকল্পবদ্ধ গোটা পুলিশ দফতর।

দেশের অন্য একাধিক রাজ্যের পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বাংলাতেও। প্রতিদিন ৩ হাজারের কাছাকাছি সংখ্যায় মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন রাজ্যে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। সোমবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ হাজার ৫৫৪। রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৫৯।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।