স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলা অবনতি নিয়ে উঠতে-বসতে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে৷ তাই শুক্রবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট বৈঠকে একঝাঁক নতুন থানা তৈরির প্রস্তাব পাশ হল। ধুলাগড়, ডোমজুড়, সাঁকরাইল এই তিনটি এলাকাকে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্তে শিলমোহর পড়ল এদিন।

একইসঙ্গে রাজ্যে আরও নতুন পাঁচটি থানা তৈরির সিদ্ধান্তও নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ইকোপার্ক, টেকনো সিটি নিউটাউন পুলিশ স্টেশন, জলঙ্গি, সাগরপাড়া ও পুজালী। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী ভেঙে সাগরপাড়া থানা, নিউটাউন থানা ভেঙে দুটো থানা করা হচ্ছে। ইকোপার্ক থানা ও টেকনোসিটি নিউটাউন থানা। এবং পুজালী আউটপোস্টকে করা হল নতুন থানা।এই বদলে এলাকার আইন শৃঙ্খলা, ট্রাফিক-সহ সমস্ত দিকেই নজর দেওয়া আরও সহজ হবে বলেই মনে করেছে প্রশাসনিক দফতর।

অন্যদিকে, থানার সঙ্গে রাজ্যে তৈরি হবে আরও নতুন একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। স্বামী বিবেকানন্দের নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ হবে বলে নবান্নতে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিন নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির প্রস্তাব পাস হয়ে গেলেও নিয়ম অনুসারে বিধানসভা অধিবেশনে বিল নিয়ে আসতে হবে।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে ২৬ অগাস্ট। সেই অধিবেশনেই বিল আনা হবে। পাশ হওয়ার পরে এই বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় তৈরি হবে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।