ব্রিটেন: বিশ্বজুড়ে থাবা বসিয়েছে মারণ করোনা। ব্রিটেনে ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার ছুঁয়েছে। প্রতিদিন ক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি একের পর এক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে ভয়াল ভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রিটেনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে একটি ৫ বছরের শিশুও।

ব্রিটেনে এই প্রথম করোনা ভাইরাসের আক্রমণে একটি শিশুর মৃত্যু হল। যদিও এর আগেই ব্রিটেনে একাধিক শিশুর কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে। তবে করোনায় শিশুমৃত্যুর খবর এই প্রথম ব্রিটেনে। সম্ভবত এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত আর কোনও দেশেই এত কমবয়সি শিশুর মৃত্যুর খবর শোনা যায়নি। করোনায় ৫ বছরের শিশুর মৃত্যুর পর আতঙ্ক একধাক্কায় আরও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রশাসনিক তরফেও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে ব্রিটেনের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের আক্রমণে ব্রিটেনেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনের ৪,৩১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরই পাশাপাশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ছুঁয়েছে ৪২ হাজার।

গোটা ব্রিটেন জুড়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিনরাত এক করে কাজ করছেন চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। হাসপাতালের পাশাপাশি একাধিক হোটেল, বহুতলের ঘরে তৈরি হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। করোনা ভাইরাসের আক্রমণ এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমেরিকাতেই। শনিবার রাত পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

আমেরিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ হাজার ৪৮০ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকার ৮২৮ জন মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত আমেরিকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৮,২৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারণ ভাইরাসের আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন।

ভারতেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। রবিবার সকাল পর্যন্ত ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়ে ৩৩৭৪। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনার বলি ৭৫। আক্রান্তদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২১৩ জন সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।