গ্রীষ্ম হোক বা বর্ষা সানস্ক্রিন প্রয়োজন সারা বছর৷ রোদ নেই বলেই যে সূর্যে ক্ষতিকর রশ্মি থাকবে না তা একেবারেই নয়৷ রোজকার ত্বকের পরিচর্যায় সানস্ক্রিনের ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ কিন্তু অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহারকে খুব একটা গুরুত্ব দেননা৷ আবার যারা সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তারা অনেকই সঠিক ভাবে এর ব্যবহার করেননা৷ ত্বকের রং যাই হোক না কেন সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে বাঁচতে এটি ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন৷ বিশেষ করে সঠিক নিয়ম মেনে৷ তাই সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাঁচটি পরামর্শ রইল আপনাদের জন্য৷

  • সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময় এর পরিমাপ অবশ্যই খেয়াল রাখবেন৷ ত্বকের যে অংশ গুলি খোলা থাকে সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত৷ বিশেষ করে মুখ, হাত, গলা ও পায়ের পাতায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন৷ সানস্ক্রিন না লাগালেও যেমন ত্বকের ক্ষতি হয় তেমনই অতিরিক্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন মাখাও ত্বকের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর৷
  • এসপিএফ৩০ মাত্রা যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেও এটির স্থায়ীত্ব খুব বেশি সময়ের জন্য নয়৷ তাই প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা অন্তর এটি ব্যবহার করা উচিত৷ বিশেষ করে সাঁতার কাটা বা ঘাম হওয়ার পর৷
  • সানস্ক্রিনের এসপিএফের মাত্রা অবশ্যই দেখে নেবেন৷ যেমন যারা এসপিএফ ১৫ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে উপকার খুব একটা হয়না৷ আবার যারা এসপিএফ ২৫ ব্যবহার করেন তারাও এসপিএফ ১৫’র মতোই উপকার পান৷ তাই এসপিএফ যত বেশি হবে ত্বকের সুরক্ষা ততবেশি বজায় থাকবে৷ তাই অন্তত এসপিএফ ৩০’এর বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন৷
  • যদি আপনাকে বাইরে বাইরে ঘুরে কাজ করতে হয় তবে অবশ্যই এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত৷ কেনার আগে অবশ্যই দেখে নেবেন যাতে এটি সোয়েটপ্রুফ ও ওয়াটার প্রুফ হয়৷ কম মাত্রার এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে বারবার এটিকে ব্যবহার করুন৷
  • সবসময় এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন যেটি ইউভিবি ও ইভিএ দুই প্রকারের রশ্মি থেকেই ত্বকে সুরক্ষিত রাখতে পারে৷ কারণ ইউভিএ রশ্মি দীর্ঘসময়ের জন্য ত্বকের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইউভিবি রশ্মির ফলে সানবার্ন হতে পারে৷