স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: চমক দিচ্ছে দার্জিলিঙের চিড়িয়াখানা। নিয়ে আসছে নতুন পাঁচ অতিথি। জার্মানি থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে পাঁচটি মিশমি টাকিন। দেশের মধ্যে প্রথম কোনও চিড়িয়াখানায় দেখা মিলবে এই ধরনের প্রাণীর। রাজ্য বন দফতরের উদ্যোগে পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানায় আনা হচ্ছে তাদের।

শুক্রবার রাতে বার্লিনের ‘টায়ার পার্ক’ থেকে কাতার এয়ারয়েজের বিমানে করে নেতাজী সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয় টাকিনগুলিকে। এরপর পাহাড়ি পথে বিশাল বাতানুকূল গাড়ি করে চিড়িয়াখানা। পাঁচটি টাকিনের মধ্যে তিনটি পুরুষ ও দু’টি স্ত্রী। পুরুষ টাকিনগুলির নাম চার্লস, ড্যানি, রক। স্ত্রী’গুলির নাম ক্লেয়ার এবং রামোনা।

বৃহদাকার এই পাহাড়ি প্রানীগুলির বদলে জার্মানির টায়ার পার্ককে দেওয়া হচ্ছে এক জোড়া রেড পান্ডা। একটি পুরুষ ও অপরটি স্ত্রী। তবে এই পান্ডা দুটিকে পাঠানো হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। আপাতত তাদের নাইট শেল্টারে রেখে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করা হবে। এরপরে আনা হবে জনসমক্ষে।

রাজ্য বনদপ্তর ও স্টেট জু অথরিটি জানাচ্ছে টাকিনদের মধ্যে সব থেকে ছোট চার্লস। তাঁর বয়স সাত মাস ১১ দিন। এছাড়া ক্লেয়ারের বয়স ২ বছর ২৮ দিন, ড্যানি ২ বছর ১০ দিন, রামোনা এক বছরের ও রক এক বছর তিন মাসের। পাঁচজনকে আনতে রাজ্য বনদফতরের খরচ হচ্ছে ১৫ লক্ষ টাকা। মিশমি টাকিন ভুটানের জাতীয় প্রানী হলেও মিশমি টাকিনের জন্মগত স্থান চিন। ভুটানে এরা ‘ডঙ্গ ঘেম সে’ নামে পরিচিত। পাহাড়ের ১০০০-৫০০০ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উচ্চতায় বসবাস করে টাকিন। মূল খাদ্য বাঁশ ও পাহাড়ি ঘাস।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।