কলকাতা: শীত আসলেই রুক্ষ হতে থাকে ত্বক৷ সমস্যা দেখা যায় চুলেও৷ খুসকি, রুক্ষ চুল নিয়ে ভুগতে হয় আমাদের৷ সাধারণত চুলে যে পাঁচটি সমস্যা দেখা যায়, তারই সমাধান রইল এখানে৷

রুক্ষ, শুকনো চুল- শুকনো চুল শীতের প্রভাবে আরও বেশি রুক্ষ হয়ে ওঠে। যাঁদের চুল অতিরিক্ত রুক্ষ তাদের শ্যাম্পু বা চুল ব্লো ড্রাই না করাই উচিত৷ সপ্তাহে এক থেকে দু’বার শ্যাম্পু করলেই চলবে৷ এর চেয়ে বেশি নয়৷ বাকি দিনগুলোয় জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন আর কন্ডিশনার লাগান চুলের ডগায়৷

খাড়া চুল- শীতে চুলে স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটির পরিমাণ বেড়ে যায়৷ সেই কারণেই চুল সমানভাবে বসতে চায় না। চিরুনিতে হেয়ার স্প্রে নিয়ে আলতো করে চুলটা আঁচড়ে নিন। কিংবা সিরাম লাগালেও চুল মসৃণ হবে৷

ভেজা চুল শুকোতে সমস্যা- শীতকালে ভিজে চুল শুকতে চায় না৷ চুল শুকনোর জন্য ড্রায়ার বা অন্যান্য হিটিং টুল ব্যবহার না করাই ভালো৷ এর বদলে বড়ো তোয়ালে দিয়ে ভেজা চুল প্রথমে চেপে বাড়তি জলটা শুকিয়ে নিন৷ তবে চুল ঘষবেন না৷ তাতে চুল আরও রুক্ষ হয়ে যাবে৷ তার পর তোয়ালের মধ্যেই চুল পেচিয়ে পাগড়ির মতো তুলে রাখুন৷ এতেই কাজ হবে৷ যেটুকি ভিজে থাকবে সেটা ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নিতেই পারেন৷

চুলের রং হালকা হয়ে যাওয়া- শীতের শুষ্কতা চুলের রং দ্রুত হালকা করে দেয়৷ এই সমস্যাটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও রঙের স্থায়িত্ব কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে। চুলে সদ্য রং করার দু’ থেকে তিনদিনের মধ্যে একেবারেই শ্যাম্পু করবেন না। এর পর সপ্তাহে দু’-একবার শ্যাম্পু করুন। কালার ট্রিটেড চুলের জন্য বিশেষভাবে শ্যাম্পু-কন্ডিশনার ব্যবহাক করুন৷

নিষ্প্রাণ চুল- আধভেজা চুল প্রথমে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিন। তারপর প্রতিটা ভাগ তুলে ধরে চুলের গোড়ায় ভল্যুমাইজ়িং বা রুট-বুস্টিং হেয়ার স্প্রে লাগান। তাহলেই দেখবেন চুলে ফিরছে প্রাণ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।