স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: ফের তিনশো কেজি গাঁজা সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করল জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় পুলিশ৷ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি ট্রাক ও স্করপিও গাড়ি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের কাছে আগে থেকে খবর ছিল ত্রিপুরা থেকে প্রচুর গাঁজা বিহারে পাচার হবে। সেই মতো কোতয়ালি থানায় আই সি বিশ্বাশ্রয়ের নেতৃত্বে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী ফাঁদ পেতে বসেছিল জলপাইগুড়ি ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের গোশালা মোড় এলাকায়। এরপরেই এলাকায় একটি ট্রাক দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের৷ ট্রাকটিকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ৷

এরমধ্যে বেগতিক বুঝে লরিতে থাকা এক যুবক পালিয়ে যায়৷ ট্রাক থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর গাজার প্যাকেট। লরির পিছনে আরেকটি বিহারের নম্বরের স্করপিও গাড়ি ছিল। পুলিশ দেখে গাড়িটি নিয়ে পালাতে যায়৷ কিন্তু গাড়িটিকে আটকে দেয় পুলিশ৷ সেই গাড়ির চালক সহ চার যুবককে আটক করা হয়৷ এরপর ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ গাঁজা। ট্রাক থেকে উদ্ধার হওয়া গাজার পরিমাণ ২৬৭ কেজি। স্করপিও থেকে উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ২৫ কেজি। দুটি গাড়ি আটক করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া গাঁজার বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা৷

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে অজিত দেব বর্মার বাড়ি ত্রিপুরার আগরতলায়। অনিশ কুমার, অজিত সিং, মুকেশ কুমার, বিজয় রায় বিহারের বাসিন্দা। ধৃতদের রবিবার জলপাইগুড়ি স্পেশাল আদালতে তোলা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।