ব্যাংকক: কখনও কখনও এমন ঘটনা ঘটে যা কেউ স্বপ্নেও ভাবে না। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কিছু পেয়ে রাতারাতি ভাগ্য ফেরে কিছু মানুষের। যেমনটা হয়েছে থাইল্যান্ডের এক মৎস্যজীবীর সঙ্গে। সেখানে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছে এক মৎস্যজীবী। তিমি মাছের বমি’তেই রাতারাতি ভাগ্য ফিরেছে ওই মৎস্যজীবীর।

ডেইলি মেইলের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নারিস নামে ওই মৎস্যজীবী প্রথমে তিমির বমিকে সাধারণ পাথরের টুকরো ভেবেছিল। কিন্তু এটির আসল দাম প্রায় ২৫ কোটি টাকা। এটির ওজন প্রায় ১০০ কেজি। এখন পর্যন্ত পাওয়া অ্যাম্বারগ্রিসের বৃহত্তম টুকরো এটাই।

আরও পড়ুন- বিশেষ অধিবেশনে মোদী বাতিল করুক আইন, দিল্লি ঘেরাও থাকবেই: কৃষক হুঙ্কার

নারিস নামে ওই মৎস্যজীবীর মাসিক আয় ৫০০ পাউন্ড। তিনি কখনই ভাবতে পারেননি যে তাঁর ভাগ্যে কোনোদিন জুটবে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। নারিস জানিয়েছে, এক ব্যবসায়ী তাঁকে ওই তিমির বমির জন্য ২৫ কোটি টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে নারিস এই অ্যাম্বারগ্রিসের সুরক্ষার কথা ভেবে পুলিশকেও জানাবেন বলে জানা গিয়েছে।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় তিমির এই বমিকে অ্যাম্বারগ্রিস বলে। এটি তিমির দেহ থেকে নির্গত বর্জ্য যা তিমির অন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসে। কখনও এটি প্রাণীটির মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসে, আবার কখনও পদার্থটি বড় হয়ে গেলে তিমি মুখ দিয়ে তা বাইরে বের করে দেয়।

অ্যাম্বারগ্রিস আসলে কটি শক্ত, মোমের মতো জ্বলনীয় পদার্থ। সাধারণত, তিমি সৈকত থেকে অনেক দূরে থাকে, তাই তাদের দেহ থেকে এই উপাদানটি সমুদ্র সৈকতে পৌঁছাতে অনেক বছর সময় লাগে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।