ওয়াশিংটন: শিলাবৃষ্টি তো এমন কেউ নেই যিনি দেখেননি। বরফের ছোট্ট ছোট্ট টুকরা, কিছুক্ষণ পরই আবার গলে জল হয়ে যায়। সেগুলি হাতে নিয়ে খেলার মধুর স্মৃতি সব শিশুরই রয়েছে। আবার বৃষ্টির সঙ্গে শুধু শিলা নয় উল্কা পড়ার কথা শুনেছেন হয়তো। তবে যদি দেখেন বৃষ্টির সঙ্গে জল নয়, পড়ছে মাছ তাহলে অবাক হবেন বৈকি! অলৌকিক কিছু ভেবে ফেলাও কিন্তু ভুল হবে না। এই মুহূর্তে এটি পড়ে অবিশ্বাস্য মনে হলেও পৃথিবীর এক জায়গায় এই ঘটনা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।

প্রতি বছরই এমন ঘটনা চাক্ষুস দর্শন করে থাকেন মধ্য আমেরিকার হন্ডুরাসের স্থানীয় বাসিন্দারা। মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এমন ‘মাছ বৃষ্টি’ প্রতি বছরই হয় হন্ডুরাসের বিভিন্ন জায়গায়। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে বলেন ‘জুভিয়া দে পেতেস’। স্প্যানিশ শব্দটির অর্থ হল ‘মাছের বৃষ্টি’। মাছ বৃষ্টি বলতে দু-একটা নয়, লাখ লাখ মাছ আকাশ থেকে ঝরে পড়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। রাস্তা-ঘাটে, বাড়ির সামনে, ছাদে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় এমন প্রচুর মাছকে। আমেরিকার হন্ডুরাসের ইয়োরো এলাকায় আবার বছরে দু’বার আকাশ থেকে ঝরে পড়ে শত শত মাছ।

মে থেকে জুনের মধ্যে এইসব জায়গায় প্রবল গতিতে ঝড় ও বৃষ্টি হয়। ঝড়ের মধ্যে রাস্তায় শত শত নানা ধরনের মাছ আছড়ে পড়ে। সেই সঙ্গে আকাশ থেকে অঝোরে ঝরে পড়তে থাকে স্কুইড, ব্যাঙ ও আরও কত রকমের প্রাণী। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সময় রীতিমতো লোক নামিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার করাতে হয়। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তিও নাকি রয়েছে। এলাকাবাসীরা আবার মেঘ দেখে আন্দাজ করতে পারেন কখন শুরু হবে তুমুল ঝড় ও মৎস্য-বৃষ্টি।

উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি (১৮৫৬ সাল–১৮৬৪ সাল) সময়ে খ্রিস্ট ধর্মযাজক হোসে সুবিরানা হন্ডুরাসে যান। তার সময়ে এই অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ প্রবল দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করছিলো। তাদের দুঃখ ও কষ্ট দূর করতে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। হোসে সুবিরানার প্রার্থনার পর থেকেই নাকি তার কথা শুনে দারিদ্র্যের কষ্ট দূর করতে ঈশ্বর আকাশ থেকে ‘মাছের বৃষ্টি’করেন বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন এই অঞ্চলের মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।