নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক ঘাটতি জানুয়ারির শেষে ১২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌছল। যা চলতি আর্থিক বছরে পর্যালোচনা পর বাজেটে যে অংক ধরা ছিল তার ৬৬.৮ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারি মাসে আর্থিক ঘাটতি পুনঃ পর্যালোচনা পর যা ধরা হয়ে ছিল তার ১২৮.৫ শতাংশ। অনুমান করা হচ্ছে চলতি আর্থিক বছর যা ৩১ মার্চে শেষ হবে তখন আর্থিক ঘাটতি পৌঁছে যাবে ১৮.৪৮ লক্ষ কোটি টাকায় বা জিডিপির ৯.৫ শতাংশে।

কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের শেষে আর্থিক ঘাটতি গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২,৩৪,০০৪ কোটি টাকা।বিশ্বজুড়ে করোনার থাবা বসায় তাতে ভারতেও রীতিমতো প্রভাব পড়েছিল। করোনা যাতে না ছড়ায় তার জন্য এদেশে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। লকডাউন জারি করায় দেশজুড়ে অর্থনৈতিক কাজকর্ম প্রায় লাটে উঠেছিল। যার ফলে ধাক্কা খেয়েছে রাজস্ব আদায়। আর্থিক ঘাটতি হল আয় এবং ব্যয়ের ফারাক। বাজেটে যে ঘাটতি ধরা হয়েছিল তা গত জুলাই মাসেই ভেঙে গিয়েছিল। সরকার ২০২১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১২.৮৩ লক্ষ কোটি টাকা পেয়েছে যা পুনঃ পর্যালোচনা পর ২০২০-২১ সালের জন্য যা ধরা হয়েছিল তার ৮০ শতাংশ। এরমধ্যে ১১.০১ লক্ষ কোটি টাকা কর বাবদ আয়।

লক্ষ্য করা গিয়েছে  পর্যালোচনা পর ২০২০-২১ সালের জন্য যা ধরা হয়েছিল তার ৮২ শতাংশ কর বাবদ আদায় হয়েছে কিন্তু তার আগের বছরের তুলনায় অংকটা ছিল ৬৬.৩ শতাংশ। অন্যদিকে কর নয় এমন খাতে আয় হয়েছে পুনঃ পর্যালোচনা পর ২০২০-২১ সালের জন্য যা ধরা হয়েছে তার ৬৭ শতাংশ। যেখানে তার আগের বছরে এই অংকটা ছিল ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস অনুসারে মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ২৫.১৭ লক্ষ কোটি টাকা যা পুনঃ পর্যালোচনা পর ২০২০-২১ সালের জন্য যা ধরা হয়েছিল তার ৭৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে এই সময়ে অংকটি ছিল ৮৪.১ শতাংশ। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাজেট পেশ করার সময় আর্থিক ঘাটতি ধরা হয়েছিল ৭.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা বা জিডিপির ৩.৫ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।