জয়পুরঃ দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষজন করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাঁধ সেধেছে দেশের বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। হাসপাতালে নেই শয্যা, মিলছে না পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। এহেন সংকটজনক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে করোনা ভ্যাকসিনই অন্যতম হাতিয়ার। তবে এবার সেই ভ্যাকসিন (Vaccine) না পাওয়া নিয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানাল রাজস্থানের জয়পুরের (Jaipur) গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী ১২৫টি সংস্থা।

সেখানে রাজ্য সরকারের নিয়ম মেনে বাড়িতে বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার (gas Cylinder) সরবরাহ করে চলেছে একাধিক সংস্থা। তবে করোনার (Corona) এহেন ভয়াল চিত্র দেখে তাঁরা আগ ভ্যাকসিন দেওয়া হোক, তারপরে সিলিন্ডার সরবরাহ করা হবে বলে দাবি তোলেন। নিজদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে তাঁরা যেভাবে কাজ করে চলেছেন, তাতে ভ্যাকসিন নেওয়া তাঁদের অত্যন্ত জরুরি। তবে অন্যান্য সংস্থার কর্মীরা ভ্যাকসিন পেলেও তাঁরা এখনও তা পায়নি। এই অভিযোগে সরব হয় ১২৫টি সংস্থার ১৮০০ কর্মী।

তাঁদের দবি, রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুসরণ করে, জয়পুরের বাড়িতে বাড়িতে এলপিজির হোম ডেলিভারি হকাররা ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করছেন। হোম ডেলিভারির কাজে যুক্ত কর্মীরা গত ২১ মে থেকে টিকা ছাড়াই ডোর টু ডোর Door To Door) গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ করার ঘোষণা করেছেন। এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিকেয় গৌড় জানাচ্ছেন যে, জয়পুর সিএমএইচও-র (CMHO) কাছে বহুবার অনুরোধ করেছি, তবে আজ অবধি জয়পুরের ১২৫ এলপিজি বিতরণকারীদের প্রায় ১৮০০ কর্মী তাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে কাজ করে চলেছেন। শেষে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৮৬ জন। রবিবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। রবিবার ৩ লক্ষ ১১ হাজার ১৭০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৩ লক্ষের নিচে। নিঃসন্দেহে এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অবশ্য বেড়েছে। রবিবার যেখানে ৪ হাজার ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে সোমবার হিসেব বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে আশা জাগাচ্ছে দৈনিক সুস্থতার হার। রবিবারের তুলনায় সুস্থতার হার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকী সুস্থতার হার রবিবার দৈনিক সংক্রমণের থেকেও অনেক বেশি। দৈনিক সংক্রমণের থেকে এদিন সুস্থতার সংখ্যা বেড়েছে ১ লক্ষের কাছাকাছি। রবিবার ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৩৭ জন সুস্থ হয়েছিলেন। সোমবা ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.