স্টাফ রিপোর্টার, বারাসাত: বুথে বুথে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রচার করবে ২০ জনের প্রচার কমিটির সদস্যরা, বারাসাত লোকসভা নির্বাচনের প্রথম প্রস্তুতি সভা করে বললেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আসন্ন ১৭ তম লোকসভা ভোটের প্রচার পদ্ধতি স্থির হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়।

জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বুথে দশজন মহিলা তৃণমূল কর্মী ও দশজন পুরুষ তৃণমূল কর্মী নিয়ে প্রচার কমিটি গঠন হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রকল্পগুলি নিয়ে ওই ২০ জনের কমিটির সদস্যরা নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করবে, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাবড়াতে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা করে সাংবাদিকদের একথাই জানালেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে৷ রাজ্যের শাসক দল কেন্দ্রে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে কর্মীদের নিয়ে আসন্ন লোকসভা ভোটের রণকৌশল স্থির করতে৷ উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাবড়াতে রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত হল নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা।

এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ হাবড়া এলাকার ৫ শতাধিক তৃনমূল কর্মী। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বুথ লেবেল থেকে প্রচার শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার সকালে হাবড়া শহরের তৃনমূল কংগ্রেসের সিনিয়ার কর্মী সদস্যদের নিয়ে ইলেকশন কমিটি তৈরী করেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

এদিন বুথ লেবেলে প্রতিটি বুথে ২০ জন‌ সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়।এই দলে ১০ জন পুরুষ ১০ জন মহিলা থাকবে।রোজ সকালে ৭.৩০ মিনিট থেকে ৮.৩০ এবং সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত মোট ২০ টি বাড়িতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচার চালাবে এই কমিটির সদস্যরা । হাবড়া বিধানসভা এলাকায় মোট বুথ সংখ্যা ২৫০ টি। প্রতি বুথের জন্য আলাদা আলাদা ২০ জন করে কমিটি তৈরী করে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।