কলকাতা: কয়েকদিন আগেই পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায় বাঙালি দর্শকদের ফ্লাইওভারে চড়িয়েছেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এর সঙ্গে। কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে এই ফ্লাইওভারের সওয়ারি ছিলেন ছিলেন গৌরব চক্রবর্তী, রবি সাউয়ের মতন অভিনেতারা। এখনো হলে রমরমিয়ে চলছে এই সিনেমা। তবে এরই মধ্যে নতুন ছবির খবর দিলেন পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। ছবির নাম লকডাউন।
মূলত তিনটি গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবি। অভিনয়ে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, ওম সাহানি, মানালি দে, সোহম চক্রবর্তী,অদ্রিত রায় এবং রাজনন্দিনী। তবে এই মুহূর্তে কোনো গল্পই নিয়েই মুখ খোলেননি পরিচালক। মহামারী লকডাউন আর তারপরেই কিছু সম্পর্কের কি ভয়াবহ পরিণতি মূলত এই কথাই ফুটে উঠবে এই গল্পে। অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের গল্প মানেই অন্য ছকে  জীবন বা সমাজকে দেখা। গল্প ছড়াও এই ছবির আরেক বড় চমক হলেও একেবারে নতুন জুটির আত্মপ্রকাশ। সোহম চক্রবর্তী এবং রাজনন্দিনী পাল, অদ্রিত রায় এবং শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি, মানালি দে এবং ওম সাহানি জুটি। এই ছবির জন্য মিউজিক কম্পোজ করেছেন শোভন গাঙ্গুলি।
মুক্তি পেয়েছে লকডাউন এর প্রথম পোস্টার। পোস্টারে লকডাউন এর দুটি ‘ও'(O)-র ক্ষেত্রেই ‘তালা’কে খুব ক্রিয়েটিভ ভাবে ছবির মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছে। পৃথিবী তখন সম্পূর্ণ আটকা পড়ে গেছে বা লকড্ , তা বোঝাতে  এই ছবি ব্যবহার। ছবির পোস্টারে দেখানো তিন কাপল এর আলাদা এক্সপ্রেশন ও আলাদা সামাজিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট। সোহম এবং রাজনন্দিনী ছবিতে দেখা যাচ্ছে রাজনন্দিনী বেশ হাসিখুশি থাকলেও সোহমের মুখে কঠোর ও দৃঢ় অভিব্যক্তি। আবার দ্বিতীয় ছবিতে শ্রাবন্তী এবং অদ্রিতের অভিব্যক্তি দেখলে বুঝতে পারবেন শ্রাবন্তী কোন একটি কারণে অত্যন্ত বিপর্যস্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন আর অদ্রিতের মুখেও কৌতূহল এবং জিজ্ঞাসা। আর তার পেছনে ক্যাফে এবং বাড়ির ছবি। আবার ওম এবং মানালির অভিব্যক্তিতে স্পষ্ট তাঁরা বেশ উচ্ছ্বসিত কোন কারণে। ওমের মুখের হাসিটা বেশ বড়সড় হলেও মানালির মুখের লাজুক হাসি।
ছবিতে সোহমের চরিত্রের নাম অভিজিৎ, অদ্রিতের চরিত্রের নাম রাজদীপ, ওমের চরিত্রের নাম কৌশিক।
অন্যদিকে রাজনন্দিনী চরিত্রের নাম পল্লবী, শ্রাবন্তীর চরিত্রের নাম মধু, মানালির চরিত্রের নাম অনুরাধা। সব ঠিক থাকলে মে মাসেই মুক্তি পাবে এই ছবি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.