লণ্ডন: বিশ্ব দেখল তাকে৷ ইংল্যাণ্ডের রাজপুত্র সে৷ মেগান মর্কেল ও প্রিন্স হ্যারির শিশুপুত্রকে দেখার জন্য মাতামাতি কম ছিল না৷ সেই মাতামাতি আর উন্মাদনাকে সাক্ষী রেখে বাইরে এল ব্রিটিশ রাজপরিবারের নয়া সদস্য বেবি সাসেক্স৷ উইনসডোর ক্যাসেলের বাইরে সদ্যোজাতকে নিয়ে হাসি মুখে ছবি তুললেন মেগান-হ্যারি৷

৬ই মে ভোরের দিকে শিশু পুত্রের জন্ম দেন মেগান৷ আর বুধবার তাঁকে বিশ্বের সামনে নিয়ে আসে রাজ দম্পতি৷ শিশুপুত্রের ছবি দেখে মুগ্ধ সকলে৷ সাদা কম্বলে মোড়া সেই শিশুর ছবি মুহুর্তে ভাইরাল রয়েছে৷ বাবার কোলে আরামে ঘুমোচ্ছে সে৷

ছেলেকে কোলে নিয়ে ফটোগ্রাফারদের আবদার মেটাচ্ছিলেন হ্যারি-মেগান৷ মেগান পরেছিলেন টুক্সেডো স্টাইলের ডাবল ব্রেসড ড্রেস, প্রিন্স হ্যারির পরনে ছিল ছাই রঙা স্যুট৷ তবে এখনই বেবি সাসেক্সকে প্রিন্স বলা যাবে না৷ যদি ব্রিটেনের রাণী বিশেষ পদক্ষেপ নেন, তবেই প্রিন্স পদে উন্নীত হবে সদ্যোজাত৷ এখনও শিশুর নাম জানা যায়নি ৷ তবে দিন কয়েকের মধ্যেই তার নাম প্রকাশ পাবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

দুদিনের শিশুকে মিডিয়ার সামনে এনে মেগান বলেন ভীষণ সুন্দর অনুভব এটা৷ একটা স্বপ্নের মত লাগছে৷ আমার জীবনে দুজন শ্রেষ্ঠ পুরুষ রয়েছে৷

শিশুর জন্মের খবর মিডিয়াকে দেন উচ্ছ্বসিত প্রিন্স হ্যারি৷ তিনি সেদিন বলেছিলেন আমাদের পুত্রসন্তান হয়েছে৷ এটা অন্যরকম একটা অনুভূতি৷ প্রিন্স ছাড়াও এই খবর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেন সাসেক্সের ডিউক এবং ডাচেস৷

উল্লেখ্য, বেবি সাসেক্সের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জর্জ ক্লুনি৷ তিনি এই রাজপরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু৷ মুকুটের দৌড়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন বেবি সাসেক্স৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.