মুম্বই: এই প্রথম করিনা কাপুর তাঁর সদ্যজাত শিশুর ছবি পোষ্ট করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। নবজাতককে জন্মের পর থেকেই করিনা সোশ্যাল মিডিয়া বা পাপরাৎজির থেকে দূরেই রেখেছিলেন। আজ অভিনেত্রী নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করলেন সাইফ, তৈমুরের সঙ্গে নবজাতের ছবি।

করিনা কাপুর খান এবং সাইফ আলি খানের ঘরে তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান আসে এই বছর ২১ ফেব্রুয়ারি। রিপোর্ট অনুযায়ী মুম্বইয়ের ক্যান্ডি হসপিটালে কারিনা দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম দেন। জন্মের পর আজ প্রথম নবজাতের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন বেবো। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বাবা সাইফ এবং দাদা তৈমুর স্নেহের জ্বলজ্বলে দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে তার দিকে। যদিও ছবিতে নবজাতের মুখ দেখা যাচ্ছে না। তার মুখে একটি বেবি ইমটিকন স্টিকার লাগিয়ে ছবিটি শেয়ার করেছেন কারিনা। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার উইকএন্ড এভাবেই কাটে। তোমাদের কেমন কাটে?’

যদিও নবজাতের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত করিনা মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। সম্প্রতি একটি সাদা কাল ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে করিনা তার শিশুর দিকে তাকিয়ে আছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘তার দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারি না’। আন্তর্জাতিক নারী দিবসেও তিনি শিশুকে কোলে নিয়ে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘এই দুনিয়ায় নারীরা পারে না এমন কিছু নেই’।

কিছুদিন আগে করিনার বাবা আশির দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা রণধীর কাপুর ভুল বশত নবজাত নাতির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করে ফেলেছিলেন। এটি একটি কোলাজ ছবি ছিল। কোলাজে রণধীরের সঙ্গে তৈমুরের জন্মের পরের একটি ছবি ও নবজাতের একটি ছবি ছিল। যদিও শেয়ার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই কোলাজটি তিনি নিজেই ডিলিট করে দিয়েছিলেন।

করিনা এখন ব্যস্ত তার প্রথম বই ‘Kareena Kapoor Khan’s Pregnancy Bible’ নিয়ে। যে সকল মহিলারা মা হতে চলেছেন তাদের জন্যে এই বইটি একটি গাইড বুক হিসাবে কাজে লাগবে। এই বছরেই বইটি ছাপান হবে।

করিনার পরবর্তী ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’। লাল সিংয়ের চরিত্রে রয়েছেন আমির খান। এই ছবিটি হলিউডের ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর অনুকরণে তৈরি। এই বছর ক্রিস্টমাসে মুক্তি পাওয়ার কথা লাল সিং চাড্ডা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.