ফাইল ছবি

ঢাকাঃ  স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে উত্তেজনা তৈরি হয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা। বারবার বিএসএফের তরফে সতর্ক করা হয়। কিন্তু তাও ওই যুবক শোনেনি বলে অভিযোগ। এরপরেই গুলি চালায় বিএসএফ।

বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশি ওই যুবক। ওই যুবকের নাম কাশেম বলে জানা গিয়েছে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা। গুলির শব্দে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কি কারণে ওই বাংলাদেশি যুবক সীমান্ত পেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

যদিও বিএসএফের তরফে এই বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের বাহিনীর সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের চল্লিশপাড়া সীমান্তের ওপারে ভারত ভূ-খণ্ডের জলঙ্গী থানার ১৩নং মাজদিয়াড় নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর জানাচ্ছে, নিহত কাশেম দৌলতপুর উপজেলার চল্লিশপাড়া সীমান্ত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে।

রামকৃঞ্চপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল জানান, কাশেম অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করলে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী থানার জলঙ্গী বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দল তাকে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে কাশেম মারা যায়।

৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ রামকৃঞ্চপুর বিওপি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মহিউদ্দিন জানান, অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকালে ১৫৭/১৩(এস) সীমান্ত পিলারের নিকট ভারতীয় ভূ-খণ্ডে বিএসএফের গুলিতে একজন নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমাদের কাছে কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেনি।

অন্যদিকে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এবার নিয়মবহির্ভূত ভাবে মালদহের আন্তর্জাতিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাথর রফতানির অভিযোগ উঠেছে একাংশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

গত কয়েকদিন ধরে পাথর বোঝাই লরি সীমান্তের ওপারে রফতানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও বাংলাদেশের প্রশাসন সরাসরি ওই দেশের সোনামসজিদ আমদানি ও রফতানিকারকদের মাধ্যমে ভারতীয় পাথর সীমান্ত দিয়ে নেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ওই রফতানিকারক সংস্থা পাথর নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশের নির্দেশিকা জারি করে ভারতীয় রফতানিকারকদের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে। কিন্তু তারপরেও দুই দেশের প্রশাসনের নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে লরি বোঝাই পাথর রফতানি করার অভিযোগ উঠেছে কিছু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে মালদহের মহদীপুর ভারত-বলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সীমান্তে রফতানি করার ক্ষেত্রে মাফিয়ারাজ চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য অনেক রফতানিকারকেরা প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারছেন না৷ যদিও রফতানিকারকদের একাংশ জানিয়েছেন, প্রশাসনের নির্দেশের বাইরে অন্যকিছু পণ্য-সামগ্রী রফতানির কাজ চলে, তাহলে ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

একেই তো লকডাউনের জেরে তিন মাস রফতানি বন্ধ ছিল। তাতে বিপুল পরিমাণ লোকসান হয়েছে। তার ওপর যদি কেউ গায়ের জোরে এরকম কারবার চালানোর চেষ্টা করে, সকলকে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তবে প্রশাসন যদি নির্দেশ দেয়, তাহলে অবশ্যই পণ্য-সামগ্রীর পাশাপাশি পাথর রফতানি হতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা