স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে তিনি ভয় পান। প্রকাশ্যে একথা ‘স্বীকার’ করলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)৷ সেইসঙ্গে তাঁর অনুরোধ, তাঁকে যেন না মারেন অর্জুন সিং।

মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটের বাড়িতে ঢুকতে পারবেন তো? বিজেপির পার্টি অফিসের সামনে বর্ধমান পূর্বের দলত্যাগী সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভের পর তৃণমূলকে এই ভাষাতেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেন, “ এটা নক্কারজনক ঘটনা। এর থেকে বড় নোংরামি আর হয় না। কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে এসব কী করে হয়? পুলিশ দলদাস হয়ে বসে আসে। মানুষের সময় খারাপ হলে বিবেক নষ্ট হয়ে যায়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটের বাড়িতে ঢুকতে পারবেন তো।”

সুনীল মণ্ডলের গাড়ির সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভে অর্জুনের প্রতিক্রিয়ার পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ফিরহাদ বলেন, ‘অর্জুন মাফিয়া। ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে জবাব দিতে পারে। আমারও ওকে ভয় করে। আমি ওকে বলবো, আমাক যেন না মারে।‘

এদিন সুনীল মণ্ডলের গাড়ির সামনে কারা হামলা চালিয়েছে তা তাঁর জানা নেই বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ‘শুনেছি উনি তফশিলি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই সংগঠনের সদস্যরাই এদিন বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের যোগ নেই। ফিরহাদ হাকিম এত নিচু রাজনীতি করে না’।

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ বিজেপির হেস্টিংস অফিসে আসেন তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সাংসদ সুনীল মণ্ডল (Sunil Mandal)। বিজেপির অভিযোগ, সাংসদ আসতেই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। ঝান্ডা দিয়ে গাড়ির বনেটে মারা হয় বলেও অভিযোগ। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরাতে চেষ্টা করলেও সংখ্যা কম থাকায় তারা সেটা করতে পারেনি। ততক্ষণে অকুস্থলে এসে পৌঁছে যান বিজেপি-র কর্মী-সমর্থকরাও। পরে বাড়তি পুলিশ এনে সুনীলের গাড়ি ঘেরাওমুক্ত করা হয়। তিনি দফতরে প্রবেশ করতে পারেন। এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।