কালিয়াচক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতোই কালিয়াচক থানার সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মালদহ এসেই মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

পাশাপাশি মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বিকালে এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মৃত ও আহতদের পরিবারের পাশে থেকে সমবেদনা জানানো দরকার সকলকেই। কিন্তু বিজেপি এখন রাজনীতি করার উদ্দেশ্যে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের পুরো ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

বৃহস্পতিবার বিকালে সুজাপুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন বিজেপি সব কথাতেই এনআইএ’র তদন্তের দাবি তুলে। অথচ এই পরিস্থিতির পর ওদের দলের  কোনো নেতৃত্বকেই দেখা যায় নি। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মালদা এসেই সেই আর্থিক ক্ষতিপূরণ ওই পরিবারগুলির হাতে তুলে দিয়েছি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমবেদনা জানানো উচিৎ। কিন্তু এখন বিজেপি রাজনীতি করছে। এদিন বিকেলে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হেলিকপ্টারে মালদায় আসেন রাজ্যের পুরো ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মালদার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কনভয় নিয়ে চলে যান সুজাপুরের স্কুলপাড়া এলাকায়।

সেখানে মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী। ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ মৌসুম নূর সহ জেলা পুলিশ পশাসনের কর্তারা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃত এবং আহতদের ২ লক্ষ এবং ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই মোতাবেক এদিন মন্ত্রী বীজের উপস্থিতিতে সেই চেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বিলি করেন। এর পাশাপাশি সুজাপুর থেকে ফিরে মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

এদিকে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিজেপির উত্তর মালদা সাংসদ খগেন মুর্মু এনআইএ’র তদন্তের দাবি জানিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন। যদিও বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যকে তুলোধনা করে তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি মৌসুম নূর বলেন, এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বিজেপি এখন রাজনীতি করতে ময়দানে নেমে পড়েছে।

পুলিশ প্রশাসন যেখানে বলছে প্লাস্টিকের কারখানায় কাটিং মেশিন বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে বিজেপি সাংসদ এরকম কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন নি বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। অথচ তারা ঘরে বসে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন। তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর আরও বলেন, এদিন বিস্ফোরণকাণ্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনায় আহতদের সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। এদিকে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, সুজাপুরে বোমা তৈরীর কারখানা গড়ে উঠেছে এব্যাপারে উদাসীন পুলিশ ও প্রশাসন ।বেআইনিভাবে এরকমই বহু প্লাস্টিকের কারখানা চলছে।

এদিন বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অথচ ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য কাটিং মেশিন বিস্ফোরণের কথা বলা হচ্ছে। এব্যাপারে প্রকৃত তদন্ত করা উচিত। আমরা দাবি করছি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ’র সাহায্য নিয়ে প্রকৃত ঘটনার তদন্ত করা হোক। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।