কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পর এবার কলকাতার মেয়রকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়৷ আজ বৃহস্পতিবার সকালে রবীন্দ্র সরোবরে প্রাতঃভ্রমণে এসে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে কটাক্ষ করলেন তিঁনি৷

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রাতঃভ্রমণে দক্ষিণ কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরে আসেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। তার আগে লেক কালীবাড়িতে গিয়ে পুজো দেন সস্ত্রীক ধনকর। রবীন্দ্র সরোবরে প্রাতঃভ্রমণের সময় শহরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে মেয়রকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল৷ সংবাদ মাধ্যমে তিনি কলকাতার মেয়রকে গাড়ির কাঁচ খুলে শহরে ঘোরার পরামর্শ দিলেন৷

এদিন সস্ত্রীক রাজ্যপাল রবীন্দ্র সরোবরে প্রাতঃভ্রমণের সময় প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে কথা বলেন৷ এর আগেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে প্রাতঃভ্রমণ গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেও তিঁনি প্রাতঃভ্রমণকারীদের কথা বলেছিলেন৷ রাজ্যপাল মিটিয়েছিলেন সেলফির আবদার। এদিনও তার ব্যাতিক্রম হল না।

আরও পড়ুন – রোজভ্যালিকান্ডে ফের কলকাতায় ইডির হানা

উল্লেখ্য, কয়েকমাস ধরেই রাজ্যপালের নানা কাজে ক্ষুব্ধ শাসকদল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ‘উদ্ধারের’ পর থেকেই শাসকদলের বিরাগভাজন হতে শুরু করেন রাজ্যপাল। গত অক্টোবরে পাহাড় সফরে গিয়ে কার্শিয়াং-এ প্রশাসনিক বৈঠক করেন রাজ্যপাল। চলতি মাসে শান্তিনিকেতন থেকে ফেরার পথে সিঙ্গুরের বিডিও অফিসে যান জগদীপ ধনকড়।

আর এই প্রশাসনিক ‘দিকগুলি’ রাজ্যপাল কেন দেখবেন? সে বিষয়ে সরব হয়েছেন শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা। মুর্শিদাবাদে একটি কলেজের অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের এ হেন কাজে ক্ষোভপ্রকাশ করে রাজ্যপালকে ‘কেন্দ্রের এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ