স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোট পিছনোর আর্জি নিয়ে বৃহস্পতিবার নিবার্চন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। পুরভোটের দিনক্ষণ নিয়ে কমিশনের দরবারকে কটাক্ষ করলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, ‘লাস্ট বয়’ রাই সব জায়গায় অভিযোগ করে।

বৃহস্পতিবার মুকুল রায়ের নেতৃত্বে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে যায় বিজেপি প্রতিনিধি দল। বৈঠকে দুটি বিষয় তুলে ধরেন মুকুল। তাঁর যুক্তি, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ২৪ দিন সময় থাকে। এটা কমিশনের বিধি। মুকুল বলেন, পরীক্ষার্থীদের সমস্য়া করে প্রচার করা যাবে, এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হচ্ছে ৩০ মার্চ। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করতে হয়। তাহলে প্রচারের ১০ দিন সময় থাকছে। এত কম দিনে প্রচার করা সম্ভব নয়।

বাইরে বেরিয়ে মুকুল বলেন,”৩০ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হলে ২৪ দিন সময় দিতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনওভাবেই ১২ এপ্রিল ভোটগ্রহণ সম্ভব নয়। আর হাইকোর্টের নির্দেশও মাথায় রাখতে হবে। ২৪ এপ্রিলের আগে কোনওভাবেই ভোট সম্ভব নয়।”

মুকুলের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “পুরভোটে যারা পিছিয়ে থাকে, পাস করতে পারে না, তারাই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। আমরা ভাল ছাত্র। সারা বছর পড়ি। তাই ভয় পাই না। ওরা লাস্ট বয় তাই এত কমপ্লেইন।” সেইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, বিজেপি কীভাবে জানল ভোট কবে? আমি মন্ত্রী হয়েও জানতে পারলাম না।”

ইতিমধ্যেই কলকাতায় পুরভোট নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবিরও। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে রাজ্য প্রশাসন চাইছে এপ্রিলেই হোক পুরভোট। ১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়ায় আর বাকি পুরসভায় দু’সপ্তাহ পর অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল ভোটগ্রহণের সম্ভবনা প্রবল।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব