ঢাকা: জ্বলন্ত সিগারেট ছিল হাতে। সেই অবস্থায় জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে গিয়ে বিপদ এলো ঘনিয়ে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সংস্পর্শে সিগারেট আসতেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গুরুতর দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হলো বাংলাদেশি চিকিৎসকের। আগুন নেভাতে গিয়ে মারাত্মকভাবে জখম ওই চিকিৎসকের স্ত্রী।

মৃত চিকিৎসকের নাম রাজীব ভট্টাচার্য। বছর ৩৫ এর রাজীববাবু থাকতেন ঢাকার হাতিরপুল এলাকায়। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

ডা. রাজীব ভট্টাচার্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অনসূয়া ভট্টাচার্য ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক। তিনিও শঙ্কামুক্ত নন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার থেকে আগুন লেগে চিকিৎসক দম্পতি দগ্ধ হন। রাজীবের শ্বাসনালী সহ শরীরের ৮৭ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তাঁর স্ত্রী ২০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এখনও চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে,গত মঙ্গলবার রাতে নিজের বাড়িতে একটি বড় বোতল থেকে ছোট বোতলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ঢালার সময় ধূমপান করছিলেন রাজীব। জ্বলন্ত সিগারেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজার লেগে যাওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিভিয়ে তাকে বাঁচাতে গেলে রাজীবের স্ত্রীর গায়েও আগুন লাগে। পরে তাদের ভরতি করা হয় বার্ন ইন্স্টটিউটে।

চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্ত শেষ রক্ষা হয়নি। মৃত চিকিৎসকের স্ত্রীকে বাঁচানোর প্রবল চেষ্টা চলছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।