বারুইপুর: বারুইপুরের কাছারি বাজারের কাপড় পট্টিতে বিধ্বংসী আগুন। সোমবার গভীর রাতে বারুইপুর থানার উল্টোদিকের এই বাজারে আগুন লাগে। ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ছোট-বড় মিলিয়ে একশোরও বেশি দোকান।

অগ্নিকাণ্ডের জেরে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা। রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। শেষমেশ দমকলের ১১টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে অনুমান দমকলকর্মীদের।

করোনার জেরে এমনিতেই ব্যবসায় মন্দা চলছে। সব ধরনের ব্যবসাতেই মন্দার কোপ। এর ওপর বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের জেরে মাথায় হাত বারুইপুরের কাছারি বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ীর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে প্রথমে একটি ইমিটেশনের গয়নার দোকানে আগুন লাগে। তারপর দ্রুত সেই আগুন আশপাশের কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা ওই বাজারের কাপড় পট্টি থেকে প্রথমে ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। প্রাথমিকভাবে আগুন নেভাতে সমস্যায় পড়েন দমকলকর্মীরা।

বাজার এলাকা ঘন জনবসতিপূর্ণ। শ্যালো পাম্পের ব্যবস্থা না থাকায় জলের জন্য দমকলকর্মীদের সমস্যা বাড়ে। রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। মঙ্গলবার সকালেও বাজারের একাধিক অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।

বারুইপুর থানার শ্যালো পাম্প থেকে জল তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন দমকলকর্মীরা। পরে কলকাতা থেকেও ইঞ্জিন আনা হয় বারুইপুরে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ খবর পেয়েও দেরিতে যায় দমকল, তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও সেই অভিযোগ মানতে রাজি হননি দমকলকর্তারা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা