স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রবিবার রাতে এক ঘন্টার ব্যবধানে শহরের দুই জায়গায় আগুন৷ একটি গড়িয়াহাটের গুরুদাস ম্যানসন অপরটি পাম অ্যাভেনিউয়ে৷ আগুন বিধ্বংসী আকার ধারন না করলেও শহরে আতঙ্ক দেখা দেয়৷ দমকল গিয়ে দুই জায়গার আগুনই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে৷ হতাহতের খবর না থাকলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক৷ আগুন লাগার কারণ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

দমকল সূত্রে খবর, রবিবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে গড়িয়াহাটের পুড়ে যাওয়া গুরুদাস ম্যানসনে ফের ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়৷ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে৷ খবর দেওয়া হয় দমকলকে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন৷ কিছুক্ষনের মধ্যেই দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে৷ এই নিয়ে একই জায়গায় এক মাসে দু’বার আগুন লাগলো৷

আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে লজ্জার হার রিয়ালের

অপরদিকে এক ঘন্টার ব্যবধানে ২৯ নম্বর পাম অ্যাভিনিউতে একটি দোকানে আগুন লাগে৷ আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানে৷ দমকল আসার আগেই তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়৷ খবর পেয়ে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে৷

আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ও বিজেপি নেতার যোগসাজসেই লাভপুরে অপহরণ: অনুব্রত

প্রায় এক মাস আগে গড়িয়াহাটের গুরুদাস ম্যানসনে আগুন লাগে৷ সিইএসসি-র ফিডার বক্সে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ওভার লোডের কারণেইঅগ্নিকাণ্ড৷ ফরেন্সিক রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে৷ ফিডার বক্সের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ওই বহুতলের মিটার বক্সে পৌঁছে যায়৷ তার থেকেই আগুন লাগে৷ বাড়িতে দাহ্য বস্তু থাকায় তা পরে ভয়াবহ আকার ধারণ করে৷

আগুন লাগার পরেই দেখা যায় বহু দিনের পুরনো গুরুদাস ম্যানসনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না৷ নজরদারি ছিল না বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে৷ ফরেন্সিক পরীক্ষাতেও তার উল্লেখ রয়েছে৷ সেখানে গাফিলতিকেই দায়ী করা হয়েছে৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফিডার বক্স থেকে অতিরিক্ত বিদ্যাৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল৷ বহুতলে ছিল না কোনও এমসিবি৷ গুরুদাস ম্যানসনের মেইন সুইচ, গলে যাওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা৷