নয়াদিল্লি : শুক্রবার বিকেলে ভয়াবহ আগুন লাগল নয়াদিল্লির জীবনদীপ বিল্ডিংয়ে৷ বহুতলের চারতলায় স্টোর রুমে আগুন লাগে৷ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ৭টি দমকলের ইঞ্জিন৷ পার্লামেন্ট স্ট্রিটের কাছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷ বিকেল ৫টা নাগাদ এই আগুন লাগে৷ প্রায় ৫০ জনকে তৎপরতার সঙ্গে বের করে আনা হয়৷

ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় গোটা এলাকা৷ যেসব ব্যক্তিদের বের করে আনা হয়, তাদের অনেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করেন৷ স্থানীয় হাসপাতালে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে হতাহতের কোনও খবর নেই৷ কি কারণে আগুন লেগেছে, তা এখনও জানা যায়নি৷ গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে দমকল৷ তদন্ত শুরু হয়েছে৷

প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল৷ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দমকলের ডিভিশনাল অফিসার এসকে দুয়া৷ শনিবারই কনট প্লেসের এনডিএমসি বিল্ডিংয়ের দোতলায় আগুন লাগে৷

এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিধ্বংসী আগুন লাগে দিল্লির উত্তম নগরে৷ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ৷

এর আগে, গত ৭ এপ্রিল বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে দিল্লিতে৷ উত্তর দিল্লির নারেলা শিল্পাঞ্চলের একটি প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে৷ সংবাদসংস্থা এএনআই জানায়, ২২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়৷ এই প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের৷ কারখানায় আরও দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন ভয়াবহ আকার নেয়৷

একের পর এক অগ্নিকাণ্ড৷ রাজধানীতে একটি জুতোর কারখানায় আগুনকে কেন্দ্র করে ছড়ায় আতঙ্ক৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২ ইঞ্জিন৷ সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে আগুন নেভানোর কাজ৷

গত ১৪ ফেব্রুয়ারিও দিল্লির নারায়ণাতে আগুন লাগে৷ আগুন যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলবাহিনী৷ একটি গ্রিটিংস কার্ড কারখানায় এই আগুন লাগে৷ মোট ২৩ ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়৷

গত কয়েকমাসে একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে দিল্লিতে৷ গত মাসে সেন্ট্রাল দিল্লির একটি সরকারি অফিসে আগুন লেগে যায়৷ তাতে এক নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়৷ জানা যায়, পন্ডিত দীনদয়াল অন্ত্যোদয় ভবনের পাঁচ তলায় সোশ্যাল জাস্টিস মিনিষ্ট্রির অফিস থেকে প্রথম আগুন বের হতে দেখা যায়৷ ক্রমে তা অন্য তলগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.