বিজয়ওয়াড়া : আহমেদাবাদের পরে এবার বিজয়ওয়াড়া। অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার একটি হোটেলে রবিবার সকালে আগুন লাগে। হোটেল স্বর্ণ প্যালেসে আগুন লাগার ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ওই হোটেলটিকে কোভিড সেন্টারে পরিণত করা হয়েছিল। প্রচুর করোনা আক্রান্ত ছিলেন সেখানে। ইতিমধ্যে ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

এদিকে, দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। কমপক্ষে ৩০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে উদ্ধার হওয়া রোগিদের। রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আগুন লাগে বলে দমকল সূত্রে খবর। ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। পরে আরও ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়।

আগুন ছড়িয়ে পড়তেই রোগিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। প্রচুর মানুষ চিৎকার করতে শুরু করেন। বেশ কয়েকজনকে হোটেলটির প্রথম তলা থেকে মাটিতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়। হোটেলটি থেকে ক্রমাগত ধোঁয়ার কুন্ডলী বেরিয়ে আসছে বলে জানা গিয়েছে। প্রচুর মানুষ ওই হোটেলটিতে আটকে পড়েন বলে আশঙ্কা করা হয়।

রমেশ হাসপাতালের পক্ষ থেকে ওই হোটেলটি ভাড়া করে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা চালানো হচ্ছিল। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ছুটে যায় এলাকায়। গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস জগন মোহন রেড্ডি। গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তিনি।

মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আহতের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণের কথা বলা হয়েছে। আর ২ লক্ষ টাকা করে মৃতদেরন পরিবারকে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের।

শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে দমকল। তবে আগুন লাগার কারণ তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিজয়ওয়াড়ার পুলিশ কমিশনার শ্রীনিবাসালু ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

উদ্ধারকার্য নিজে তদারকি করছেন তিনি বলে খবর। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডি। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনার কড়া তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

যারা আহত হয়ে অন্য হাসপাতালে ভর্তি, তাদের সব রকম দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক আধিকারিকদের। ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারকে সবধরণের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন জগন মোহন রেড্ডি। এদিন এই দুর্ঘটনার ব্যাপারে খবরাখবর নিতে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও