ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এই ছবি

কলকাতাঃ  শহরের মুখে বিধ্বংসী আগুন! দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল আগুন। প্রবল হাওয়ার সঙ্গে আগুনের তীব্রতায় হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। মুহূর্তের মধ্যে সম্পূর্ণ বস্তি আগুনর গ্রাসে। পরপর সিলিন্ডার বিস্ফোরণ। আগুনের তীব্রতা এতটাই যে পাশের বহুতলেও আগুন ধরে যায়।

শুধু তাই নয়, বাগবাজারের মায়ের বাড়ির অফিসের একাংশে দাও দাউ জ্বলে ওঠে আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন আসে। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে আগুন নেভানোর জন্যে ছুটে আসে এলাকার মানুষ। ছুটে আসেন মায়ের বাড়ির মহারাজরাও।

লেলিহান শিখার এতটাই বিধ্বংসী হয়ে ওঠে যে সবাই মিলে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাখানেক পর কিছুটা হলেও আয়ত্তে এসেছে আগুন। যদিও এখনও কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। চারপাশ দিয়ে এখন জল দিয়ে যাচ্ছে দমকল। ঠান্ডা করার চেষ্টা হচ্ছে।

অন্যদিক, প্রবল ঠান্ডায় সবকিছু হারিয়ে গৃহহীন বহু মানুষ। যদিও ইতিমধ্যে পুরসভার চারটে কমিউনিটি হল খুলে দেওয়া হয়েছে। বাগবাজার উইমেন্স কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। সবাইকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। দেওয়া হচ্ছে খাবার। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে পুড়ে যাওয়া অংশ পরিষ্কার শুরু হবে। ধীরে ধীরে ফের আবার বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস মন্ত্রীর।

দমকল সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগে বাগবাজারের হাজার হাত বস্তিতে। খবর পেয়ে প্রথমে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় পাঁচটি ইঞ্জিন৷ পরে ধাপে ধাপে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷ দমকলের প্রাথমিক অনুমান রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লেগেছে৷

যদিও আগুন নেভানোর পরে তদন্ত করে দেখা হবে, কীভাবে আগুন লেগেছে৷ স্থানীয় সূত্র খবর, আগুন লাগার সময় বস্তিতে একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে কেপে উঠে এলাকা৷

মূহুর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে৷ আগুনের লেলিহান শিখায় গোটা বস্তিটি পুড়ে গিয়েছে৷

সেখানকার একটি অফিস আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর৷ অন্যদিকে আগুনের হাত থেকে রক্ষা পেল বাগবাজারের সেন্ট্রাল ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার স্টোর৷ যেখানে রাখা রয়েছে করোনা ভ্যাকসিন৷ এদিনই দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ আগুন লাগে মানিকতলার তেলের গোডাউনে৷

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে৷ ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকল বাহিনীকে। একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই গুদামে ব্যাটারি মজুদ করা ছিল। দাহ্য বস্তু হওয়ায় আগুন নেভাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকলকে।

প্রাথমিক ভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। গুদামে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কিন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়রাই প্রথমে আগুন লেগেছে দেখতে পেয়ে দমকলে খবর দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।