কলকাতা :  কলকাতার স্ট্রান্ড রোডের আগুনে মৃত্যু সাতজনের। সাত জনেরই অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রাজ্য প্রশাসন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কলকাতা পুলিশ কমিশনার। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন মমতা। তিনি বলেন রেলের ভবন হলেও রেলের কোনও আধিকারিককে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি। এমনকী রেলের কাছ থেকে বিল্ডিংয়ের নকশা চাওয়া হলেও তা মেলেনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, লিফট করে ওপরে উঠছিলেন উদ্ধারকারীরা, তখনই আগুনের ঝলকানিতে ঘটনাস্থলেই অগ্নিদগ্ধ হন তিনি। সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও দুজনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান মমতা। আরও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা। হিরিশ দে, গৌরব বেজ, অনিরুদ্ধ জানা, বিমান পুরকাইত দমকলের কর্মী। তাঁরা প্রত্যেকেই নিখোঁজ। এএসআই অমিত ভাওয়াল ও রেলের সিনিয়ার অফিসার মিস্টার মন্ডল নিখোঁজ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মৃতদের সনাক্তকরণের কাজ চলছে।

বিকেল ৬টা ১০ নাগাদ এখানে আগুন লাগে ওই বিল্ডিংয়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুন লেগেছে বহুতলের ১৩ তলায়। আগুন নেভাতে সহায়তার জন্য আনা হয়েছে হাইড্রোলিক ল্যাডার। বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্ট্যান্ড রোড।

আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা উচ্চতা। তাই দলকলের তরফে মই আনা হয়েছে। এখনও কোনও হতাহতের খবর নেই। শোনা গিয়েছে ওই তলায় কেউ আটকে নেই। কিন্তু যত সময় গড়াচ্ছে আগুন তত বাড়ছে। এখান থেকে অন্য কোনও অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা। এখনও পর্যন্ত আগুন যেখানে লেগেছে সেখানে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। ১৩ তলায় পৌঁছনোর জন্য আনা হয়েছে হাইড্রলিক ল্যাডার। নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্ট্র্যান্ড রোডের বাবুঘাট থেকে হাওড়া ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ।

ওই বহুতলের আশপাশের বিল্ডিং খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বহুতলার অন্যান্য তল থেকেও সবাইকে বের করে আনা হয়েছে। বিপদের আশঙ্কা থেকে ওই এলাকার আশপাশে মানুষকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। যাতে অন্যান্য তলায় আগুন না ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য বাইরে থেকে জল দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বহুক্ষণ পর্যন্ত সেখানে পৌঁছতে পারেননি দমকল কর্মীরা। মনে করা হচ্ছে ওই তলের ভিতরের সম্পূর্ণ জায়গায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। কেন ও কীভাবে বহুতলে আগুন লাগল তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।