File Pic

নিউটাউন: বাগবাজারের পর এবার নিউটাউনে ঝুপড়িতে আগুন। বুধবার সন্ধ্যায় শুলংগুড়িতে আগুনের গ্রাসে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু ঝুপড়ি৷

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে খবর,বুধবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ শুলংগুড়ি উত্তরপাড়া ক্যানালপাড় এ ঝুপড়িতে আগুন লাগে৷ রান্নার গ্যাস সিলিল্ডার ফেটে আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে৷ আগুনের গ্রাসে ৪টি ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে৷ ঝুপড়িগুলো বাশ টিন দিয়ে তৈরি ছিল৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ আধিকারিকরা৷

দমকল সূত্রে খবর,আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ৪ টি ইঞ্জিন৷ ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দমকলের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছতে সমস্যা হয়৷ তবে কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে৷ হতাহতের কোনও খবর নেই৷ অন্যদিকে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লেগেছিল বাগবাজারের একটি বস্তিতে৷

শীতের রাতে গৃহহীন হন কয়েকশো মানুষ৷ দমকলের ২৭ টি ইঞ্জিনের চেস্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে৷ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব মানুষের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বাগবাজারে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেখানে ৭০০ মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের দায়িত্ব নিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আজই এই জায়গা পরিষ্কার করে দেওয়া হবে। এরপর যার যেরকম জায়গা ছিল সেই মত কলকাতা কর্পোরেশন আগের পরিস্থিতি তৈরি করে দেবে।” চিন্তার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বাস বাণী শোনান মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগুনে যে ১৫০ টি বাড়ি পুড়ে গিয়েছে সেই সবগুলি বাড়ি পুনরায় নির্মাণ করে দেবে রাজ্য সরকার। যতদিন না সেই বাড়ি তৈরি হচ্ছে, ততদিনের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেকের থাকা, খাওয়া ও পোশাকের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে নির্দেশ দেন গৃহহীনদের পাঁচ কেজি করে চাল, ডাল, আল ও বাচ্চাদের জন্য দুধ-বিস্কুট দিতে। মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন ক্ষতিগ্রস্থ মহিলাদের প্রত্যেককে চারটি-পাঁচটি করে শাড়ি দিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।