স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শনিবারের দুপুরে আগুন লাগল শহর কলকাতার জুটমিলে৷ দুপুর দুটো নাগাদ নারকেলডাঙা মেন রোডের ওপর ঘটনাটি ঘটে৷

কলকাতা জুটমিলে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়৷ ক্রমশ তীব্র আকার নিয়ে নেয় আগুন৷ পাশেই বস্তি থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়৷

প্রথমে তিনটি, পরে পাঁচটি দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে৷ কিন্তু, কারখানায় প্রচুর পরিমাণ পাটের দড়ি মজুত করা ছিল। যা অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। তাই আগুন নেভাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় দমকলকর্মীদের। তার উপর এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি। তাই কারখানা লাগোয়া বহুতলেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। শেষপর্যন্ত, প্রায় ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টায় আগুন নিভিয়ে ফেলেন দমকলকর্মীরা।

তবে কি থেকে আগুন লেগে যায় এখনও জানা যায়নি৷ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানা যায়নি৷ তবে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গিয়েছে দমকল সূত্রে৷ তবে কারখানার কর্মীদের দাবি, পাটের সামগ্রী তৈরির মেশিনের ফুলকি থেকে আগুন লেগেছিল।

অভিযোগ, কারখানা সঠিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায়, পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। আগুন পাশের বস্তিতে ছড়িয়ে পড়লে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তেন বস্তি বাসী৷ সেই বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।