স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: গণেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউতে একটি গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়াল৷ চারটি ইঞ্জিনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে৷ হতাহতের কোনও খবর নেই৷ কিভাবে আগুন লেগেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন একজন দমকলকর্মী।

ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কলকাতায়। শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ ২৫ নম্বর গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউয়ে একটি গোডাউনে আগুন লাগে। কর্মাশিয়াল প্লেসের মধ্যে প্রচুর সরঞ্জাম থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে যায়। কালো ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা এলাকা। মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।  প্রথমে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন, পরে একে একে মোট ৪টি ইঞ্জিন আসে গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের ওই বহুতলের সামনে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আগুন আয়ত্তে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে, ধোঁয়ার জেরে এদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন এক দমকলকর্মী। তাঁকে তড়িঘড়ি ওই গোডাউনে থেকে বাইরে নিয়ে এসে চোখে–মুখে জল দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করেন তাঁর সহকর্মীরা। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন স্থানীয় বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন জানান, দমকলকর্মীরা খুব তাড়াতাড়ি এসেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

কদিন আগেই বউবাজারে বহুতলে আগুন লেগেছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টা নাগাদ বউবাজারের শম্ভু নাথ দাস লেনে একটি বহুতলে আগুন লাগে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রথমে ২টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়৷ পরে আরও ২টি৷ মোট ৪টি ইঞ্জিনের মাধ্যমে দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন৷

আগেও শহরে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একটি বস্তি৷ সেবার বেঙ্গল কেমিক্যালের কাছে একটি বস্তিতে আগুন লাগে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন৷

সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ বাইপাসের ধারে নেতাজি নগর কলোনিতে আগুন লেগেছিল৷ দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী৷

জানা গিয়েছিল, নেতাজি নগর কলোনিতে প্রায় ২০০টি ঝুপড়ি রয়েছে৷ আগুন লাগার পর একের পর এক ঝুপড়ি ভস্মীভূত হয়ে যাচ্ছে৷ তখন শেষ সম্বলটুকু বাঁচানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় বস্তিবাসীরা৷ কিন্তু ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নিল তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.