বিধাননগর: শুক্রবার দুপুরে হঠাৎই বিধাননগর পুরসভায় আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুরভবনের চারতলায় আগুন লেগে যায়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে যায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দেন দমকলকর্মীরা। তবে এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।

পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ পুরসভার তিনতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে পুরসভার কর্মীরা৷ খবর দেওয়া হয় দমকলকে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকল ও পুলিশ পৌঁছায়৷ যেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল, সেটি পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের দফতর৷

খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে আসে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন৷ এবং দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু৷ আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দমকলের দাবি৷

জানা গিয়েছে, পুরসভার থেকে যখন ধোঁয়া বের হচ্ছিল তখন বোর্ড মিটিং চলছিল৷ হাজির ছিলেন পুরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী৷ এছাড়া ডেপুটি মেয়র-সহ কাউন্সিলর ও কর্মীরা৷ তড়িঘড়ি তাদেরকে নামিয়ে আনা হয় । ফাঁকা করে দেওয়া হয় পুরসভা ভবন৷ পরে কাউন্সিলরদের নিয়ে পাঁচ তলায় বোর্ড মিটিং চলে৷

গত বছর পঞ্চমীর দিন দুপুরে সল্টলেকের বৈশাখীতে আগুন লেগেছিল। ঘটনাস্থলে দমকলের নয়টি ইঞ্জিন পৌঁছে গিয়েছিল৷ জানা গিয়েছিল,শপিংমলের বিল্ডিংয়ের বেসমেন্টে আগুন লেগেছিল৷

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিল, চারদিন ধরে এএমপি বৈশাখী শপিং-মলের বেসমেন্টে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ চলছিল। সেখানেই রাখাছিল বেশ কয়েকটি বাইক এবং চার চাকা গাড়ি। সেগুলি সবগুলি প্রায় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে খবর। প্রায় চল্লিশটি বাইক এবং গাড়ি পুড়ে যায়৷ এছাড়া কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়ছিল আশেপাশের এলাকা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।