লালগোলা: ফের নতুন করে ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার খবর এল মুর্শিদাবাদ থেকে। লালগোলা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচটি ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বের বিক্ষোভের আগুন শুক্রবার থেকেই ছড়িয়েছে বাংলায়।

শুক্রবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা স্টেশনে চালানো হয়েছিল ভাঙচুর। শনিবার লালগোলা স্টেশনে লাগানো হল আগুন।

এরপর কৃষ্ণপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ৪টি ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে এক দল বিক্ষোভকারী। দাউ দাউ করে জ্বলছে ট্রেনের একাধিক বগি। ক্রমশ তা ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ বা দমকল ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছয়নি। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিক্ষোভকারীরা এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে যে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর সাহস হচ্ছে না প্রশাসনের।

এদিন সকাল থেকেই হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় বিক্ষোভ। রাস্তার উপর পরপর জ্বালিয়ে দেওয়া হয় গাড়ির টায়ার। রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা একাধিক বাসে এরপর চলে ব্যপাক ভাঙচুর। বেশ কয়েকটি বাসে আগুনও ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আতঙ্কে বাস থেকে নেমে ছুটতে শুরু করেন যাত্রীরা। রাস্তা ও পরপর গাড়িতে আগুন ধারানেরা জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা।

বাড়তেই কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় যান চলাচল। একের পর এক আটকে পড়ে গাড়ি, বাস। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশের আধিকারিরকরা। কোনা এক্সপ্রেসওয়ের পাশাপাশি নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয় সাংতরাগাছি স্টেশনেও। একটানা বিক্ষোভের জেরে সাঁতরাগাছিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রেল পরিষেবা। অফিস ও অন্য কাজে বেরিয়ে চূড়ান্ত দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রীরা।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় শুক্রবার থেকেই রাজ্যে শুরু অশান্তি। জেলায়-জেলায় চরম আকার নিয়েছে প্রতিবাদ। কোথাও রাস্তা অবরোধ আবার কোথাও রেল রোকো। পথে বেরিয়ে শুক্রবার দিনভর হয়রানির একই ছবি ধরা পড়েছে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও