স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে বাম পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল। জগতবল্লভপুর দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন কুণ্ডু এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন কুণ্ডুর অভিযোগ, সুজন চক্রবর্তী কিছুদিন আগে তাঁর ফেসবুকে করোনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে একটি তালিকা পোস্ট করেছিলেন। তাতে তিনি মৃতের সংখ্যা ৭ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তালিকায় নাম ছিল জগতবল্লভপুরের এক মহিলার। রঞ্জন কুণ্ডুর দাবি, ওই মহিলার মৃত্যু গোলাবাড়ি থানার কাছে আইএলএস হাসপাতালে হয়। তাঁর মৃত্যু করোনাতে হয়নি।

ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত বলে লেখা আছে। পঞ্চায়েতের প্রধান বলেন, সুজনবাবু অভিজ্ঞ মানুষ হয়েও ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। অভিযোগ উড়িয়ে সুজন চক্রবর্তী বলেন, “দেশের লোক জানে কী হচ্ছে, তথ্য গোপন করলে আমাদের রাজ্যের বিপদ হচ্ছে, রাজ্যের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে । আমরা এটা হতে দেবনা। যা বলেছি প্রমাণ রেখে বলেছি।”

সিপিএমের জেলা সম্পাদক বিপ্লব মজুমদার জানিয়েছেন, “ওই মহিলার শেষকৃত্য করোনায় মৃত রোগীর মতই করা হয়েছিল। যেটা গ্রামের সবাই জানে। প্রমাণও আছে। কে কি লিখল ,আর কেন লেখলো সেটাও সবার জানা। আমরা আইনের পথেই লড়ব।”

করোনা মোকাবিলায় শুরুতে সবমহলে প্রশংসা কুড়োলেও ধীরে ধীরে বদলেছে চিত্রটা। রাজ্যের বিরুদ্ধে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা চাপার চেষ্টা এবং বেশি সংখ্যক টেস্ট না করার অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেই নয় এব্যাপারে কেন্দ্রের সঙ্গেও সংঘাত শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।