নয়াদিল্লি: আবারও দিল্লির নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশ ফেরত করোনা আক্রান্ত দুই জামাত সদস্যের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ। চিকিৎসকদের বারণ সত্ত্বেও ওয়ার্ডের শৌচালয়ে না গিয়ে ওয়ার্ডের বাইরে প্রস্রাব করার অভিযোগ দুই জামাত সদস্যের বিরুদ্ধে। সংক্রমণ ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে ওই দু’জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।

দিল্লির নরেলার কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছেন নিজামুদ্দিন ফেরত করোনা আক্রান্ত দুই জামাত সদস্য। ওই দু’জনই নিজামুদ্দিনের তাবলিঘি জামাতে অংশ নিয়েছিলেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ওই দু’জনকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

নরেলার ওই কোয়েরান্টাইন সেন্টারের সাফাইকর্মীদের অভিযোগ, ওই দুই জামাত সদস্য তাঁদের ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে প্রস্রাব করেছেন। যদিও তাঁদের ওয়ার্ডের ভিতরে থাকা শৌচালয় ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ওই দু’জন স্বাস্থ্যকর্মীদের কথা নস্যাৎ করেছেন। ওয়ার্ডের বাইরে প্রস্রাব করায় গোটা কোয়ারেন্টাই সেন্টারেই এবার করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজামুদ্দিন ফেরত ওই দুই করোনা আক্রান্ত নরেলার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রয়েছেন। সম্প্রতি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সাফাইকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ৩১ মার্চ হঠাৎই ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে প্রস্রাব করে দেন ওই দুই জামাত সদস্য। ওই দু’জনের বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।

পুলিশের অভিযোগ, ওই দুই অভিযুক্ত স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশিকা পালন করছিলেন না, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্যকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছিলেন। ওঁদের আচরণে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হয়ে পড়ছিল। গত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়ে ৪৪২১ হয়ে গেছে।

যার মধ্যে রয়েছে ৩৯৮১টি সক্রিয় ঘটনা, তেমনই ৩২৫ জনকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। এদিন সকাল অবধি মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪ জন। ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এখনও শুরু হয়নি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।